করোনা ভাইরাসের নতুন লক্ষণ সমূহ গুলি কি কি এবং করোনা প্রতিরোধে কি করণীয়।

বর্তমানে করোনার প্রকোপ পুরো দেশে মহামারীর আকার ধারণ করেছে তার সাথে সাথে করোনার নতুন স্ট্রেনে করোনা ভাইরাসের নতুন লক্ষণ সমূহ

মানুষের মধ্যে আবার নতুন করে দেখা যাচ্ছে। কিন্তু এবারের করোনার নতুন স্ট্রেনে মানুষ গত বছরের তুলনায় বেশি করে আক্রান্ত হচ্ছে।

তাই আপনারা যাতে নিজেরাই করোনার নতুন স্ট্রেনে করোনা ভাইরাসের নতুন লক্ষণ সমূহ গুলি সনাক্ত করে করোনা ভাইরাসের মোকাবিলা করতে পারেন

সেই উদ্দেশ্যে আমরা আপনাদের সাথে করোনা ভাইরাসের নতুন লক্ষণ সমূহ গুলি কি কি,করোনা ভাইরাসের রোগ প্রতিরোধে কি করণীয়,করোনা রোগের ঘরোয়া চিকিৎসা

কিভাবে করবেন,করোনা প্রতিরোধক খাবার গুলি কি কি,করোনা প্রতিরোধে ঔষধ হিসাবে কোন ঔষধ গুলি ব্যবহার করলে উপকার পাওয়া যায় ইত্যাদি বিষয়ে পরিচিত করা হবে।

আরো পড়ুন : স্বাস্থ্য বীমা কি ? স্বাস্থ্য বীমা করা থাকলে কি কি সুবিধা পাওয়া যায়। 

করোনা ভাইরাসের নতুন লক্ষণ সমূহ গুলি কি আপনি কিভাবে জানবেন আপনি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত ?


আপনারা সবাই জানেন করোনার নতুন স্ট্রেন আরও একবার মহামারীর রুপ নিয়ে মনুষ্য সমাজে আঘাত হেনেছে এবং বিভিন্ন মানুষের শরীরে করোনার নতুন উপসর্গ দেখা দিচ্ছে।

এখন প্রশ্ন হল ঘরে বসে আপনি কি করে বুঝবেন,আপনি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত কিনা ? করোনার নতুন স্ট্রেনে করোনা ভাইরাসের নতুন লক্ষণ সমূহ গুলি কি কি ?

করোনা ভাইরাসের নতুন লক্ষণ সমূহ
করোনা ভাইরাসের নতুন লক্ষণ সমূহ

বর্তমানে করোনা ভাইরাসের যে নতুন লক্ষণ গুলি দেখা যাচ্ছে সেগুলি আন্দাজ করে আপনি ধরে নিতে পারেন আপনি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত। করোনার নতুন উপসর্গ ২০২১ সালে

সচারচর মানুষের মধ্যে দেখতে পাওয়া যাচ্ছে তার কিছু সনাক্ত করার নমুনা কোভিড ১৯ বা করোনা ভাইরাসের নতুন লক্ষণ সমূহ গুলি আপনাদের সামনে তুলে ধরা হল-

০১. গলা চুলকানো হল করোনার নতুন উপসর্গ। ০২. শুকনো গলা থাকা করোনার নতুন লক্ষণ। ০৩. শুকনো কাশি ও গলা ব্যাথা করোনার নতুন উসোসর্গের মধ্যে পড়ে। 

০৪. শরীরে উচ্চ তাপমাত্রা মাঝে মধ্যে প্রচন্ড রকমের ১০২ ডিগ্রির কাছাকাছি জ্বর আসা করোনা ভাইরাসের নতুন লক্ষণ। ০৫. স্বাসকষ্ট । ০৬. নাকে গন্ধ হারিয়ে ফেলা বা স্মেল না পাওয়া করোনার নতুন উপসর্গ।

করোনার নতুন উপসর্গে করোনার ০৩ টি স্তর


করোনার নতুন স্ট্রেনে যে ০৩ টি স্তর দেখতে পাওয়া যাচ্ছে সেই ০৩ টি স্তর হল ক) Phase-০১,খ) Phase-০২ এবং গ) Phase-০৩.

ক ) Phase- ০১ (Infection Phase) : করোনার নতুন উপসর্গে Phase- ০১ এ আমাদের শরীরে যে সমস্ত করোনা ভাইরাসের নতুন লক্ষণ সমূহ গুলি দেখতে পাওয়া যাচ্ছে

করোনার নতুন উপসর্গ গুলি হল, সাধারণ জ্বর ও সর্দি কাশির মত যা আমাদের সাধারণ জ্বর বলে আমাদের শরীরকে এবং আমাদিকে বিভ্রান্ত করছে।

Phase-০১ এ করোনার অবস্থান ও লক্ষণ : করোনার নতুন স্ট্রেনে করোনা ভাইরাস দিনের প্রায় অর্ধেক দিন সময় কেবল মাত্র আমাদের নাকে অবস্থান করে,এইসময় আমাদের মধ্যে জ্বরের কোন লক্ষণ থাকেনা। 

তারপর কোভিড ১৯ ভাইরাস ধীরে ধীরে নাক বেয়ে গলায় নেমে আসে। তাই আমাদের এই সময় গলা ব্যাথা হয়,গলা ব্যাথা ভালো হওয়ার সময় ০১ দিন। 

Phase-০১ এ করোনা ভাইরাস রোগ প্রতিরোধে করণীয় : Phase-০১ এ কোভিড ১৯ যখন আমাদের নাকে অবস্থান করে তখন করোনা ভাইরাস রোগ প্রতিরোধে আমাদের যা করণীয়

তাহল নিয়মিত ভেপার ইনহেলিং করা এবং ভিটামিন-সি সেবন করা। কিন্তু যখন কোভিড ১৯ আমাদের নাক বেয়ে গলায় নেমে আসে তখন আমাদের

করোনা ভাইরাস রোগ প্রতিরোধে করণীয় হল নিয়মিত নুন দিয়ে গরম জলে গারগল করা,গরম জল পান করা,আদা এবং মধু সহযোগে খাওয়া,চায়ের সাথে ষষ্ঠীমধু পান করা,

আপেল সিডার ভিনিগার (০১ চামচ/০১ গ্লাস গরম জলে ঘুলে নিয়ে) পান করুন। ০২ চামচ নারকেল তেল মুখে নিয়ে অন্তত ২০-২৫ মিনিট কুলকুচি করুন।

করোনা ভাইরাসের নতুন লক্ষণ সমূহ
করোনা ভাইরাসের নতুন লক্ষণ সমূহ

যদি জ্বর আসে তাহলে প্যারাসিটামল,ভিটামিন-বি কমপ্লেক্স খান। যদি বেশি বাড়াবাড়ি হয় জ্বর না ছাড়ে তাহলে সাথে আন্টিবায়েটিক নিতে পারেন।

খ) Phase-০২ (Pulmonary Phase) : Phase-০২ তে কোভিড ১৯ দ্বারা আমাদের ইমুনো সিস্টেম গভীরভাবে আক্রান্ত হয়। এই সময় আমাদের স্বাস প্রস্বাস নিতে কষ্ট হয়,শরীরে অক্সিজেন লেভেল কমে আসে।

Phase-০২ এ করোনার অবস্থান ও লক্ষণ : এই সময় কোভিড ১৯ ভাইরাস আমাদের গলা থেকে ফুসফুসে নেমে আসে এবং ০৪-০৫ দিনের মধ্যে কাশি এবং স্বাস কষ্ট শুরু হয়। 

Phase-০২ এ করোনা ভাইরাস রোগ প্রতিরোধে করণীয় : এই সময় কোভিড ১৯ ভাইরাস আমাদের ফুসফুসে অবস্থান করে তাই করোনা 

রোগ প্রতিরোধে আপনি যেগুলি করবেন- ভিটামিন-সি,ভিটামিন-বি কমপ্লেক্স,ভিটামিন-ই,ভিটামিন-ডি এবং জিঙ্ক ট্যাবলেট খাবেন।

নিয়মিত নুন সহ গরম জলে গারগল করবেন,অক্সিমিটার দিয়ে শরীরে অক্সিজেনের ঘাটতি আছে কিনা চেক করবেন,প্যারাসিটামল খাবেন প্রচুর পরিমানে জল পান করবেন।

প্রয়োজনে স্বাস প্রস্বাসের প্রাণায়াম ও ব্যায়াম করুন,যদি অবস্থার উন্নতি না হয় তাহলে রোগীর অক্সিজেন সিলিন্ডার সহ অক্সিজেনের প্রয়োজন হবে।

গ) Phase-০৩ (Hyper inflammatory phase) : Phase-০৩ এ করোনা ভাইরাস আমাদের শরীরে মারাত্মক আকার নিয়ে নেয় এই সময় রোগীর প্রাণ নাসের আশঙ্কা প্রবল হয়ে যায়।

Phase-০৩ এ করোনার অবস্থান ও লক্ষণ : Phase-০৩ এ করোনা ভাইরাস আমাদের শরীরের একটি নির্দিষ্ট জায়াগায় অভ্যন্তরীণ অঙ্গ যেমন-হৃৎপিন্ড,ফুসফুস,কিডনি এবং আরো অন্যান্য অঙ্গে  থাবা বসায়।

Phase-০৩ এ করোনা ভাইরাস রোগ প্রতিরোধে করণীয় : Phase- ০৩ এ করোনা আমাদের শরীরে তার আধিপত্ব জমিয়ে নেয়। এই স্টেজে রোগীকে হাসপাতালে  ICU তে ভর্তি করার দরকার হয়। 

আরো পড়ুন : স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্প কি ? স্বাস্থ্য সাথী কার্ড থাকলে হাসপাতালে কি কি সুবিধা পাওয়া যায়।  

করোনার মেডিকেল কিট হিসাবে যেগুলি বাড়িতে অগ্রিম নিয়ে রাখবেন


করোনার মেডিকেল কিট হিসাবে করোনা প্রতিরোধের ঔষধ হিসাবে যে সমস্ত ঔষধ গুলো হাতের কাছে রাখবেন-

০১. প্যারাসিট্যামল,০২. ভিটামিন-সি,ভিটামিন-বি,বি-কমপ্লেক্স,ভিটামিন-ডি-থ্রী এবং জিঙ্ক ট্যাবলেট।  ০৩.বিটাডিন মাউথ ওয়াশ এবং সাথে গারগল করবেন।

করোনা ভাইরাসের নতুন লক্ষণ সমূহ
করোনা ভাইরাসের নতুন লক্ষণ সমূহ

০৪.মাস্ক ও স্যানিটাইজার,০৫.ভ্যাপার নেওয়ার জন্য ক্যাপসুল (Karvol plus),০৬. পালস ও অক্সিমিটার,০৭. এন্টিব্যায়োটিক সহ অ্যানটি হিসটামিন,

০৮. অক্সিজেন সিলিন্ডার (জরুরি ক্ষেত্রে),০৯. মোবাইলে আরোগ্য সেতু অ্যাপ্লিকেশন,১০. নিয়মিত স্বাস ও প্রস্বাসের জন্য প্রাণায়াম করুন।

১১. CBG Blood glucose meter (Diabetic), ১২. BP Checking Machine, ১৩. Nebulizer Machine (asthma,allergy,COPD),১৪. Portable oxygen cylinder.

করোনা ভাইরাস রোগ প্রতিরোধে করণীয় কি 


করোনা ভাইরাস রোগ প্রতিরোধে করণীয় অত্যাবশকীয় কিছু গুরুত্বপূর্ণ টিপস আপনাদের সামনে তুলে ধরা হবে যে টিপস গুলি ফলো করলে মাঝারি উপসর্গের করোনা রোগীদের হাসপাতালে ভর্তি না করেই সুস্থ করা সম্ভব।

০১. যে সমস্ত করোনা রুগী করোনার মৃদু ও মাঝারি উপসর্গে আক্রান্ত,সেই সমস্ত রোগীদের (৮০-৮৫ %)  হাসপাতালে ভর্তি না করেই হাতের কাছে কিছু প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়ে আরোগ্য লাভ করতে পারে।

০২. হাতের কাছে প্ৰয়োজনীয় জিনিস বলতে যেমন- পালস অক্সিমিটার হাতের কাছে থাকলে,প্রয়োজনে শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা নিজেই দেখতে পারবেন।

রোগীর শরীরে ৯০-৯৫% অক্সিজেন থাকলে সেটা হল স্বাভাবিক,কিন্তু যদি কোন কারণে অক্সিমিটারে অক্সিজেনের পরিমান ৯৩ % এর নিচে নেমে যায় তাহলে সেক্ষেত্রে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

০৩. ভিটামিন-সি,ভিটামিন- ডি,ভিটামিন-ই এবং জিঙ্ক ট্যাবলেট গুলোর পাশাপাশি প্রাকৃতিক রোগ প্রতিরোধক খাবার যেমন – কালোজিরা সেবন করা যেতে পারে।

০৪. গায়ে জ্বর হলে প্যারাসিটামল এন্টিবায়োটিক অন্যন্য ঔষধ রেজিস্টার ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে গ্রহণ করুন। সর্দি কাশি হলে এন্টি হিস্টামিন নিন।

০৫. জরুরী প্রয়োজনে ঘরের বাইরে যেতে হলে সুরক্ষা সামগ্রী যেমন মাস্ক পরিধান করতে হবে এবং সামাজিক দূরত্ববিধি মেনে চলতে হবে ( একে অপরের থেকে কমপক্ষে ০৩-০৬ ফুট দূরত্ব বজায় রাখতে হবে)।

০৬. গরম জলের সাথে লবন দিয়ে ০২-০৩ বার গার্গল করার সাথে সাথে নরম্যাল স্যালাইন জল নাকে দিয়ে সেটি টেনে গলা দিয়ে বার করুন।

০৭. গরম জলের বাষ্প টানতে ভেপার ইনহেলিং করতে হবে দিনে ০২-০৩ বার। দেড় লিটার জলে ০৭/০৮ টি এলাচ,০৭/০৮ টি লবঙ্গ,০২/০৩ টা দারচিনি,

০২/০৩ টা তেজপাতা,০১ ইঞ্চি আদার টুকরা,০১ চামচ কালোজিরা,হাফ চামচ হলুদ গুঁড়া,০১ চামচ চা পাতা এবং ০১ টি বড় লেবুর রস ভালো করে জ্বাল দেওয়ার

পর উতরানো ভাপ নাক দিয়ে টেনে নিয়ে মুখ দিয়ে ছাড়তে হবে পরে ঐ মশলা চা জল পান করতে হবে। প্রতিদিন ০৪ বার করে ১৪ দিন হালকা গরম জলে লেবু মিশিয়ে খেতে হবে।

০৮. করোনা প্রতিরোধক ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য নিয়মিত ত্রিফলা (হরীতকী,আমলকী,বয়ড়া) চা খাওয়া যেতে পারে। এক কাপ গরম জলে ০১ চামচ ত্রিফলা পাওডার (০২ মিনিট ), ০১ প্যান

জলের সঙ্গে  ০১ টি করে হরীতকী,আমলকী,বয়ড়া দিয়ে আগুনে ফুটিয়ে নিতে হবে। চায়ের সঙ্গে ষষ্ঠী মধু মিশিয়ে পান করলে গলা ব্যাথায় আরাম পাওয়া যায়।

০৯. ফুসফুসের কার্যকারিতা ব্রিদিং এক্সরেসাইজ অথবা শ্বাস নালীর ব্যয়ামের মাধ্যমে বহুগুন বাড়ানো যায়। যেমন- লম্বা স্বাস টেনে (০৫/১০) সেকেন্ড

সময় বা আরো বেশি সময় ধরে রাখা,এরপর ধীরে ধীরে স্বাস ছাড়া, এভাবে প্রতিবারে ০৫ বার,দিনে ০৪ বার ০৪ দিন ধরে  করুন।

১০. করোনা ভাইরাস রোগ প্রতিরোধে করণীয় আরো ০২ টি ব্যায়াম করা যেতে পারে। আর এই ব্যায়াম ০২ টির অভ্যাসে আমরা আমাদের ফুসফুসের কার্য ক্ষমতা সহজেই বাড়াতে পারি।

প্রথমত একটি বেলুন নিয়ে তিনবার দীর্ঘ্য শ্বাস ছাড়ার মাধ্যমে ফোলাতে হবে এবং প্রতিবার নাক দিয়ে টানা শ্বাস নিতে হবে। এছাড়া স্ট্র দিয়ে জল ভর্তি বোতলে ফু দিয়ে

বুদ্বুদ্ সৃষ্টির মাধ্যমেও ব্যায়াম করা সম্ভব। দিনে কয়েকবার এই ব্যায়াম দুটি নিয়মিত করলে শরীরে অক্সিজেনের পরিমান বৃদ্ধি পাবে।

১১. মানবদেহের অধিকাংশ বায়ুথলি পিঠের দিকে থাকে। অতএব অসুস্থ অবস্থায় চিত হয়ে না শুয়ে বুক ও পেট পেরে লম্বা লম্বি ভাবে বালিশ চেপে ঘুমোলে উপকার পাওয়া যায়।

১২. এছাড়া করোনা ভাইরাস রোগ প্রতিরোধে নিয়মিত হাত ধোয়া পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা মেনে চলার মত কাজ গুলি আমাদের নিয়মিত রাখতে হবে।

আরো পড়ুন : আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প কি এবং আয়ুষ্মান ভারত কার্ডের সুবিধা গুলি কি কি। 

বাড়িতে আইসোলেশনে থেকে করোনা রোগের ঘরোয়া চিকিৎসা কি ভাবে করবেন


করোনা মহামারীতে হাসপাতালে না গিয়ে ডাক্তারের পরামর্শ মেনে হোম আইসোলেশনে থেকে করোনা রোগের ঘরোয়া চিকিৎসা কিভাবে করতে হবে আসুন এক নজরে দেখে নেওয়া যাক।

করোনা ভাইরাসের নতুন লক্ষণ সমূহ
করোনা ভাইরাসের নতুন লক্ষণ সমূহ

০১. করোনা রোগীকে স্বাস্থ্যকর খাবার ফলমূল ও শাক সবজি নিয়মিত খাওয়া দরকার।

০২. হালকা গরম জলে লেবু,মিশিয়ে পান করলে ফুসফুসে পৌঁছানোর আগেই ভাইরাস দূরীভূত হয়।

০৩. ভিটামিন-ই,ভিটামিন-ডি ও জিংক ট্যাবলেট সেবন করুন (যদি অসুস্থতার কোনো লক্ষণ দেখা দেয় )

০৪. প্রতিদিন নিয়মকরে ১৫-২০ মিনিটের জন্য রোদে বসুন (সকাল ১০ টা থেকে ১১ টার মধ্যে)

০৫. সারাদিনে অন্তত একবার ডিম্ সহযোগে খাবার খান।

০৬. প্রতিদিন পর্যাপ্ত  পরিমানে অন্তত ০২.৫ লিটার জল পান করা উচিত।

০৭. খাবার খাওয়ার আগে প্রতিটি খাবার গরম করে খাওয়া উচিত। সাধারণত শরীরের সতেজতা ফিরিয়ে আনার জন্য করোনা রোগীদের হাসপাতালে এগুলোই করা হয়।

করোনা প্রতিরোধক খাবার


করোনা প্রতিরোধক খাবার হিসাবে আমাদের নিয়মিত বেশি ক্ষারযুক্ত খাবার গ্রহণ করা উচিত আমাদের শরীরে করোনা প্রতিরোধক ক্ষমতা গড়ে তোলার জন্য।

যে সমস্ত করোনা প্রতিরোধক খাবার গুলো আমাদের নিয়মিত খেতে হবে- ০১). কলা,০২). সবুজ লেবু-৯.৯ পিএইচ,০৩). হলুদ লেবু-৮.২ পিএইচ,০৪). এভোকাডো-১৫.৬ পিএইচ,

০৫). রসুন-১৩.২ পিএইচ,০৬). আম-৮.৭ পিএইচ,০৭). টেঞ্জারিন-৮.৫ পিএইচ,০৮). আনারস- ১২.৭ পিএইচ,০৯). জলচক্র- ২২.৭ পিএইচ,১০). কমলা-৯.২ পিএইচ।

করোনা প্রতিরোধে ঔষধ


হোম আইসোলেশনে যে সমস্ত ঔষুধ গুলো করোনা প্রতিরোধের ঔষধ হিসাবে পিয়ারলেস হাসপাতালের ডাক্তাররা প্রেস্ক্রাইব করেছেন-

০১. Tab.Azithral (500mg) 1 tab once daily X 5 days.

০২. Tab.Zinconia (500mg) 1 tab twice daily X 5 days.

০৩. Tab. Limcee (500mg) 1 tab twice daily X 5 days.

০৪. Tab. Calpol (650mg) 1 tab if required for feaver.

০৫. Syr. Ascoril 2 tsf twice daily for dry cough.

০৬. Use o fPulse Oximeter device to see for oxygen saturation. If is below 90% then contact your doctor over phone.

ওপরের নির্দেশিত করোনা প্রতিরোধের ঔষধ গুলো খাওয়ার আগে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নেবেন। ওপরে উল্লেখিত কোনো ঔষধ গুলো কোনোমতেই শোনোবাংলা.কম ব্যক্তিগত ভাবে প্রেস্ক্রাইব করেনা

করোনা প্রতিরোধে টেলিমেডিসিন পরিসেবা


দিন প্রতিদিন যেভাবে করোনা আমাদের রাজ্যে থাবা বসাচ্ছে তাতে হাসপাতালে বেড পাওয়াতো দূরের কথা  হাসপাতালে অক্সিজেনের ঘাটতি মিটছেনা।

তাই পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন হাসপাতাল থেকে বিভিন্ন ডাক্তার বাবুদের সাথে টেলিমেডিসিনের মাধ্যমে চিকিৎসা পরামর্শের জন্য ডাক্তার বাবুদের ফোন নং জারি করা হয়েছে।

মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের নির্দেশনুযায়ী সকাল ০৯ টা থেকে রাত ০৯ টা পর্যন্ত ফোন করতে পারেন নীচে দেওয়া ডাক্তার বাবুদের নম্বর গুলিতে কল করে।

০১).ডাঃ শৈবাল ব্যানার্জি – ৮৯১০০৬৬৩৩৬, ০২). ডাঃ সুবীর কীর্ত্তনীয়া- ৯৯৩৩৪১৫১২৪,০৩).ডাঃ কল্যাণ রাজন মুখ্যোপাধ্যায় – ৯৪৩২১২২০৮০,

০৪). ডাঃ বীরেন্দ্র প্রসাদ সাউ- ৯৪৩৪১৮৩৮৯১, ০৫). ডাঃ শুভদীপ সরকার- ৮৩৩৪৮৬৬৬৬৭,০৬). ডাঃ সরস্বতী বরুই- ৮৭৭৭৫৬৮৫৫২,

০৭).ডাঃ সুব্রত দালাল- ৯৮৩৬১০৮৭১০,০৮).ডাঃ নিত্যগোপাল ওঝা- ৯৪৩৩৪১৩২২১,০৯).ডাঃ পাপড়ি নায়েক- ৯৮৩১৬০২৩৯৬,১০).ডাঃ অমিতাভ সরকার- ৯৮৩১৫০৩৩৬৬,

১১). ডাঃ উমাশঙ্কর দলুই- ৯৪৩৩১২৪১১৪, ১২).ডাঃ মিতালি অধিকারী-৯৪৩৪৯৪৪২৫৩৪,১৩). ডাঃ রুনা ভট্টাচার্য- ৯৮৩৬৪৮৮৬৫৭

এই নম্বর গুলি ছাড়াও কতগুলি বেসরকারি হাসপাতাল তাদের নিজস্ব করোনা কেয়ার হোম প্যাকেজ এর জন্য স্পেশাল ফোন নং জারি করেছেন।

০১. উডল্যান্ড হাসপাতাল – ৭৫৯৫৮৫০০০০, ০২. আমরি হাসপাতাল- ০৩৩-৬৬৮০০০০০, ০৩.মেডিকা সুপারস্পেশালিটি হাসপাতাল- ০৩৩-৬৬৫২০০০০, ০৪. অ্যাপোলো হাসপাতাল- ১৮০০-১০২-৮৫৮৬

এছাড়াও ভারতের টাটা গ্ৰুপ নিচের লিংকে অনলাইন চ্যাটের মাধ্যমে চিকিসৎকেদের মাধ্যমে করোনা রোগীদের জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করে চলেছে

https://www.tatahealth.com/online-doctor-consultation/general-physician

করোনা ভাইরাসের নতুন লক্ষণ সমূহ
করোনা ভাইরাসের নতুন লক্ষণ সমূহ

করোনা হেল্প লাইন নং


করোনা মোকাবিলায় বিভিন্ন জেলা থেকে কয়েকটি হেল্প লাইন নং জারি করা হয়েছে,তার মধ্যে কয়েকটি জেলার করোনা হেল্প লাইন নং আপনাদের সুবিদার্থে দেওয়া হল-

হুগলি- ০৩৩-২৬৮১২৬৫২/০৩৩-২৬৮০০১১৫, হাওড়া- ০৩৩-২৬৪১৩৩৯৩/০৩৩-২৬৪১৩৩৯৮,উত্তর চব্বিশ পরগনা- ০৩৩-২৫৮৪০২৮০/০৩৩-২৫৮৪৬২৮৭

দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা- ০৩৩-২৪৩৯৯২৪৭,কলকাতা পুরসভা করোনা কেয়ার কন্ট্রোল রুম নং- ০৩৩-২২৮৬১৩১৩/০৩৩-২২৮৬১৪১৪

হাসপাতালে ভর্তি না হয়েও করোনা টেস্ট যে সমস্ত হাসপাতাল গুলোতে করানো হচ্ছে – ০১. অ্যাপোলো হাসপাতাল-০৩৩-২৩২০৩০৪০,০২. ডিসান হাসপাতাল- ৯০৫১৭১৫১৭১,

০৩. পিয়ারলেস হাসপাতাল- ০৩৩-৪০১১১২২২,০৪. মেডিকা সুপারস্পেশালিটি হাসপাতাল-০৩৩-৬৬৫২০০০০,০৫.আর এন টেগোর হাসপাতাল- ০৮০৬৭৫০৬৮০

References for this compilation: 01.https://timesofindia.indiatimes.com,02.SAJIDAFoundation,03. Social Media,04.Dr. Suddhasatwya Chattopadhya, Appollo,05.Google Internet,06.Purba Medinipur ZP etc.

পরিশিষ্ট


আপনাদের সামনে করোনার নতুন স্ট্রেনে করোনা ভাইরাসের নতুন লক্ষণ সমূহ গুলির সাথে করোনা রোগের ঘরোয়া চিকিৎসা,করোনা প্রতিরোধক খাবার সমদ্ধে বিশেষজ্ঞদের

পরামর্শ অনুযায়ী হুবহু তুলে ধরা হল। এছাড়া করোনা সংক্রমিত হলে করোনা ভাইরাস রোগ প্রতিরোধে করণীয় কাজের একটি উত্তম সূচি আপনাদের সুবিদার্থে দিয়ে দেওয়া হয়েছে।

সাথে করোনা প্রতিরোধের ঔষধ হিসাবে যে সমস্ত ঔষধ গুলো ডাক্তাররা খাবার পরামর্শ দিচ্ছে সেই সমস্ত ঔষুধ গুলোর একটি সংক্ষিপ্ত তালিকা আপনাদের জন্য দিয়ে দেওয়া হয়েছে।

তবে মনে রাখবেন কোনো রকমের ঔষধ খাওয়ার আগে অবশ্যই একজন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের সাথে পরামর্শ নিয়ে ঔষধ গুলো খান।

আর প্রিয় পাঠক আপনাদের কাছে একান্ত অনুরোধ এই পোস্টটি শুধু নিজে পড়ে নিজের কাছে না রেখে আরো অন্যান্য মানুষের কাছে শেয়ার করে পৌঁছে দিন।

আমাদের পোস্টের ওপরে এবং নিচে সোশ্যাল শেয়ারের অপশন দেওয়া আছে,এখন একজন উপযুক্ত দায়িত্বশীল নাগরিক হিসাবে আপনার পরম কর্তব্য হল,

পোস্ট টি মানুষের সাথে শেয়ার করা যাতে আর ০৫ টা সাধারণ মানুষ করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে নিজেকে এবং সমাজকে বাঁচাতে পারে। ধন্যবাদ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here