হেলথ আইডি কার্ড অনলাইন আবেদন করার নিয়ম (Helth Id Card Online Applay)

২০২০ সালে স্বাধীনতা দিবসের প্রাকাল্লে লাল কেল্লায় ভাষণ দিতে গিয়ে প্রধামন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ডিজিটাল ইন্ডিয়া মিশনের মধ্যে দিয়ে স্বাস্থ্য খাতে সাধারণ মানুষের নিঃশুল্ক স্বাস্থ্য বীমা হিসাবে আয়ুষ্মান ভারত কার্ড লঞ্চ করেন।

২০২১ সালে ২৭ শে সেপ্টেম্বর ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে নরেন্দ্র মোদী হেলথ আইডি কার্ড অনলাইন আবেদন করার মাধ্যমে সারা ভারতবর্ষের মানুষের সুবিদার্থে,

আয়ুষ্মান ভারত কার্ডের নিরিখে ডিজিটাল ইন্ডিয়া কর্মসূচির দ্বারা প্রতিটি মানুষের জন্য হেলথ আইডি কার্ড হিসাবে ডিজিটাল স্বাস্থ্য খাতা খোলার কথা ঘোষণা করেন।

হেলথ আইডি কার্ডের (Health Id Card ) মাধ্যমে মাধ্যমে দেশের প্রতিটি মানুষের স্বাস্থ্য ডেটাবেস তৈরী করা হবে। যা পরবর্তী দিনে চিকিৎসা ক্ষেত্রে ডাক্তার দ্বারা রোগীর পুরোনো ডেটা সংগ্রহ করে রোগ নির্ণয়ের সহায়ক হবে।

আমরা আজকের আর্টিকেলে হেলথ আইডি কার্ড কি (Health Id Card),হেলথ আইডি কার্ডের সুবিধা গুলো কি কি,হেলথ আইডি কার্ড আবেদন করার জন্য কি কি ডকুমেন্ট লাগবে,হেলথ আইডি কার্ড অনলাইন আবেদন করার নিয়ম ইত্যাদি বিষয়ে আলোচনা করব।

হেলথ আইডি কার্ড কি (Health Id Card ki 2021)

হেলথ আইডি কার্ড বা স্বাস্থ্য আইডি কার্ড হল National Health Authority -র একটি অনলাইন ডেটাবেস। যেখানে কেন্দ্র সরকারের আয়ুষ্মান ভারত ডিজিটাল মিশনের দ্বারা প্রতিটি মানুষের স্বাস্থ্য সংক্রান্ত

পুরোনো অসুখ,প্যাথলজিক্যাল রিপোর্ট এবং রোগীর রোগের ওষধের নথি স্টোরেজ করে রাখা হবে। হেলথ আইডি কার্ডের মাধ্যমে দেশের প্রতিটি নাগরিকের গোপন রোগের নথি সম্পূর্ণভাবে সুরক্ষিত থাকবে।

আরো সহজভাবে বলতে গেলে যেমন- আধার কার্ডের মাধ্যমে একজন ব্যক্তির বাসস্থান,নাম,ঠিকানা এবং নিজস্ব ব্যক্তি পরিচিতি বাবদ ব্যক্তির চোখের মনি,দশ আঙুলের ছাপ নেওয়া হয় এবং

ব্যক্তিকে একটি দশ অংকের ইউনিক আধার নম্বর দিয়ে দেওয়া হয়। এই আধার নম্বরই ব্যক্তির একটি মৌলিক পরিচিতি বা ডেটাবেস হিসাবে জনগণের ভার্চুয়াল ডেটা সরকারের কাছে সুরক্ষিত থাকে।

আর এই আধার নম্বর দিয়েই প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যক্তির ব্যাঙ্ক একাউন্ট সহ আরো অন্যান্য ডেটা নিষ্কাশন করা হয়। ঠিক তেমনই হেলথ আইডি কার্ডের মাধ্যমে দেশের প্রতিটি মানুষের রোগের দলিল সংগ্রহ করে রাখা হবে।

যা বর্তমানে ব্যক্তির স্বাস্থ্য রেকর্ড হিসাবে ব্যক্তির নিজস্ব স্বাস্থ্য খাতা হিসাবে গণ্য হবে এবং সেই খাতায় ব্যক্তির পুরোনো অসুখের দলিল National Health Authority অনলাইন ডেটা সেন্টারে সংগ্রহ থাকবে।

আর আয়ুষ্মান ভারত ডিজিটাল ইন্ডিয়ার মাধ্যমে সেই রেকর্ড অনলাইন মোবাইল এপ্লিকেশনের সাথে জুড়ে দেওয়া হবে এবং দেশের প্রতিটি মানুষ মোবাইল এপ্লিকেশনের মাধ্যমে PHR আইডি দিয়ে লগইন করে নিজে নিজেই নিজের পুরোনো অসুখের নথি এক্সেস করতে পারবে।

হেলথ আইডি কার্ডের সুবিধা গুলো কি কি (Health Id Card Benifit)

২০২০ সালের ১৫ ই আগস্ট স্বাধীনতা দিবসের দিনে দেশের ০৬ টি কেন্দ্র শাসিত প্রদেশে স্বাস্থ্য পরিকাঠামোকে ডিজিটালাইজ করার লক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আয়ুষ্মান ভারত কার্ড লঞ্চ করার কথা ঘোষণা করেন।

কেন্দ্র শাসিত প্রদেশ গুলোতে আয়ুষ্মান ভারতের সাফল্যতার পর ২০২১ সালের ২৭ শে সেপ্টেম্বর প্রধামন্ত্রী নরেন্দ্রমোদী আয়ুষ্মান ভারত কার্ডের নিরিখে সারা ভারতবর্ষের মানুষের জন্য

হেলথ আইডি কার্ড (Health Id Card) হিসাবে অনলাইন স্বাস্থ্য খাতা খোলার কথা ঘোষণা করেন। কিন্তু এখন আপনাদের মনে একটা কমন প্রশ্ন জাগতে পারে ‘হেলথ আইডি কার্ডের সুবিধা কি’ ?

আপনি কেন হেলথ আইডি কার্ড অনলাইন আবেদন করবেন ? হেলথ আইডি কার্ড বানিয়ে সাধারণ মানুষের কি সুবিধা হবে ? আসুন তাহলে হেলথ আইডি কার্ডের সুবিধা গুলো কি কি জানা যাক –

০১. আয়ুষ্মান ভারত ডিজিটাল মিশনের তত্ত্বাবধানে হেলথ আইডি কার্ডের মাধ্যমে ব্যক্তির স্বাস্থ্য সংক্রান্ত নথি সম্পূর্ণভাবে সুরক্ষিত থাকবে।

০২. হেলথ আইডি কার্ডের মাধ্যমে একজন মানুষের কিশোর জীবন থেকে শুরু করে পৌঢ় অবস্থা পেড়িয়ে মৃত্যু পর্যন্ত শরীরে যত রকমের,যতবার অসুখ হয়েছে তার পুরো নথি সংগ্রহ থাকবে।

০৩. এমনকি আপনার কতসালে কোনদিনে,কোন রোগের জন্য আপনাকে হাসপাতালে এডমিট হতে হয়েছিল,আপনার কি অসুখ হয়েছিল,তার জন্যে আপনার কি কি প্যাথলজিক্যাল রিপোর্ট করতে হয়েছিল।

কোন ডাক্তার চিকিৎসা করেছিল সেই ডাক্তারের নাম,বিভাগ,হাসপাতালের বিবরণ ইত্যাদি উল্লেখ থাকবে। এছাড়াও আপনাকে ডাক্তার অসুখের জন্যে কি কি ওষুধ প্রেসক্রাইব করেছিলেন,

ডাক্তার বাবু কি কি করতে বারণ করছিলেন,কি কি খেতে মানা করেছিলেন,ভবিষ্যতে সেই রোগ থেকে অন্য কোনো অসুখ দানা বাঁধার সম্ভবনা আছে কিনা ? এছাড়াও যদি আপনার কোনো অপারেশন (Surgery) হয়ে থাকে

তাহলে অপারেশন (Surgery) কেন করা হয়েছিল,কোন ডাক্তার এবং নার্সের টিম অপারেশন করেছিল,কত বোতল রক্তের প্রয়োজন হয়েছিল,আপনাকে কোন গ্রূপের রক্ত দেওয়া হয়েছিল,

আপনার শরীরে কত বোতল সেলাইন চালানো হয়েছিল,তার জন্য কতদিন হাসপাতালে এডমিট হতে হয়েছিল ইত্যাদি নথি গুলো হেলথ আইডি কার্ডে সংগ্রহ করে রাখা হবে।

০৪. আপনার শরীরে সুগার,প্রেসার,থাইরয়েড ইত্যাদি সমস্যা থাকলে তার প্যাথলজিক্যাল রিপোর্টের নমুনা গুলোও যথারীতি সংরক্ষণ করে রাখা হবে।

০৫. হেলথ আইডি কার্ডে বা স্বাস্থ্য আইডি কার্ডের মধ্যে ব্যক্তির স্বাস্থ্য ডেটা স্টোরেজ থাকলে দেশ বিদেশে চিকিৎসার জন্য চিকিৎসা সংক্রান্ত ডকুমেন্ট যেমন-

ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন,প্যাথলজিক্যাল রিপোর্ট ইত্যাদি সঙ্গে করে বয়ে নিয়ে যাওয়ার দরকার নেই। আবার হেলথ আইডি কার্ডে স্বাস্থ্য ডেটা অনলাইন সুরক্ষিত ভাবে স্টোরেজ থাকায় ডকুমেন্ট হারিয়ে যাওয়ার ভয় থাকবেনা।

০৬. পুরাতন রোগের রিপোর্ট দেখে ডাক্তার বাবুর কাছে রোগীর নতুন রোগ নির্ণয়ে সুবিধা হবে। ডাক্তার বাবু রোগীর পুরাতন রোগ হিস্ট্রি থাকলে তা সহজেই দেখতে পাবেন,

ডাক্তার বাবু বুঝতে পারবেন আগের অসুখে রোগীর কি কি সমস্যা হত এবং বর্তমানের অসুখটার সঙ্গে পুরাতন অসুখের কোনো লিংক আছে কিনা ইত্যাদি।

হেলথ আইডি কার্ডের পুরোনো ডেটা দেখে ডাক্তার বাবু যেমন রোগীকে ভালোমানের চিকিৎসা দিতে পারবেন তেমনি রোগীর ডাক্তার বাবুর কাছে রোগের চিকিৎসা করাতেও যথেষ্ট সুবিধা হবে।

০৭. সবথেকে বড় ব্যাপার হল ডাক্তার বাবু যদি কোনো রোগীর ভুল রোগ নির্ণয় করে,রোগের ভুল চিকিৎসা করে,ভুল ওষধ দেয় তার ডেটা হেলথ আইডি কার্ডে স্টোরেজ থাকবে,

রোগীর রোগের চিকিৎসায় স্বাস্থ্যের উন্নতি না হলে,রেফার করার প্রয়োজন হলে নতুন ডাক্তার বাবু চিকিৎসা গাফলতির পুরোনো ডেটা দেখে খুব সহজেই রোগীর রোগের আসল কারণ বুঝতে পারবে।

০৮. বর্তমানে আপনি যেখানে চিকিৎসা করাতে যাবেন সব জায়গাতেই হেলথ আইডি কার্ডের ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হতে পারে। তাই আজ নয়তো কাল আপনাকে হেলথ আইডি কার্ড অনলাইন আবেদন করে হেলথ আইডি কার্ড বানাতে হবে।

০৯. প্রত্যেক ব্যক্তির হেলথ আইডি নম্বর হিসাবে ১৪ ডিজিটের ইউনিক নম্বর এবং কিউ আর কোড দেওয়া হবে,সেই কিউ আর কোড অথবা ১৪ ডিজিটের নম্বর দিয়েই হেলথ আইডি কার্ডের যাবতীয় ডেটা এক্সেস করা যাবে।

১০. প্রধানমন্ত্রী হেলথ আইডি কার্ডের যাবতীয় ডেটা National Health Authority দ্বারা সম্পূর্ণভাবে সুরক্ষিত রাখা হবে। রোগীর অনুমতি ব্যাতিত কোনো ভাবেই

হেলথ আইডি কার্ডের ডেটা অন্য কেউ এক্সেস করার সুযোগ পাবেনা। হেলথ আইডি কার্ডের পুরো ডেটা সুরক্ষিত রাখার জন্য সরকার প্রতি বছর ৫০০ কোটি টাকা খরচ করার কথা ঘোষণা করেছেন।

হেলথ আইডি কার্ডের জন্য কারা কারা আবেদন করতে পারবে

যে কোনো ভারতীয় নাগরিক হেলথ আইডি কার্ড অনলাইন আবেদন করতে পারেন। হেলথ আইডি কার্ডের জন্যে কোনো বিধি নিষেধ নেই,শুধুমাত্র ভারতীয় নাগরিক হলেই সেই ব্যক্তি হেলথ আইডি কার্ডের জন্যে আবেদন করতে পারবেন।

যেমন- শিক্ষক,লেখক,চাষী,লেবার,চাকুরীজীবি,শ্রমজীবী,ধনী,গরিব সকলেই হেলথ আইডি কার্ড (Helth Id Card) বানাতে পারবে এবং আগামীদিনে সকলকেই চিকিৎসার জন্যে হেলথ আইডি কার্ড বাধ্যতামূলকভাবে বানাতে হতে পারে।

প্রধানমন্ত্রী হেলথ আইডি কার্ড অনলাইন আবেদন করার নিয়ম।

হেলথ আইডি কার্ড বানাতে কি কি ডকুমেন্ট লাগবে (Health Id Card recure document)

হেলথ আইডি কার্ড বানানোর জন্য আপনার যে সমস্ত ডকুমেন্টের দরকার পড়বে,সেই ডকুমেন্ট গুলো হল –

  • যিনি হেলথ আইডি কার্ডের জন্যে আবেদন করবেন তিনার আধার কার্ড।
  • আধার কার্ডের সঙ্গে মোবাইল নম্বর লিংক আছে এমন একটি মোবাইল নম্বর দরকার হবে।
  • হেলথ আইডি কার্ড আবেদনকারীর ব্যাঙ্ক একাউন্ট নম্বর দরকার হবে।
  • হেলথ আইডি কার্ড আবেদনের জন্য রেশন কার্ড দরকার পড়বে।
  • হেলথ আইডি কার্ড আবেদনকারীর পাসপোর্ট সাইজ ফটো দরকার হবে।

হেলথ আইডি কার্ড অনলাইন আবেদন করার নিয়ম (Health Id Card Online Apply)

প্রধানমন্ত্রী হেলথ আইডি কার্ড দুইভাবে আবেদন করা যায়,যেমন- ০১.আধার কার্ড নম্বর দিয়ে এবং ০২.মোবাইল নম্বর দিয়ে। আধার কার্ড নম্বর দিয়ে তুলনামূলক ভাবে

হেলথ আইডি কার্ড বানানো সহজ,তাই এখানে আমরা আধার কার্ড দিয়ে হেলথ আইডি কার্ড অনলাইন আবেদন করার নিয়ম গুলো দেখাব।

প্রধানমন্ত্রী হেলথ আইডি কার্ড অনলাইন আবেদন করার জন্যে সবার প্রথমে আমাদের ন্যাশনাল হেলথ অথরিটির অফিসিয়াল ওয়েবসাইট https://healthid.ndhm.gov.in/ ভিজিট করতে হবে।

এবারে আমরা ধাপে ধাপে হেলথ আইডি কার্ড অনলাইন আবেদন করার নিয়ম গুলো আলোচনা করছি আপনারা একটু মনোযোগ সহকারে পড়লে নিজে নিজের হেলথ আইডি কার্ড বানাতে পারবেন।

প্রথম ধাপ : ন্যাশনাল হেলথ অথরিটির অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে ক্লিক করতেই সবার প্রথমে National Health AuthorityAyushman Bharat Digital Mission এর ড্যাশবোর্ড ওপেন হবে।

হেলথ আইডি কার্ড অনলাইন আবেদন
হেলথ আইডি কার্ড অনলাইন আবেদন

ওয়েব সাইটের ড্যাশবোর্ডে নিচে বাম দিকে থাকা Create Your Health ID Card বোতামে ক্লিক করতে হবে। Create Your Health ID Now বোতামে ক্লিক করতেই নতুন একটি উইন্ডো খুলে যাবে।

দ্বিতীয় ধাপ : Generate Your Health ID Card এর নিচে Generate via Aadhar এর অপশন দেখতে পাবেন,আপনাকে এখন Generate via Aadhar অপশনটিতে ক্লিক করতে হবে।

নোট : আপনারা আধার নম্বরের পরিবর্তে শুধুমাত্র মোবাইল নম্বর দিয়েও হেলথ আইডি কার্ড বানাতে পারেন। তার জন্য আপনাকে Generate via Aadhar এর নিচে I don’t have Aadhar / I don’t want to use my Aadhaar for creating Health ID.

এর নিচে Click here অপশনটিতে ক্লিক করে হেলথ আইডি কার্ড বানাতে পারেন,তবে সেখানে আপনাকে ম্যানুয়ালি সমস্ত কলম নিজে নিজেই ফিলাপ করতে হবে।

হেলথ আইডি কার্ড অনলাইন আবেদন
হেলথ আইডি কার্ড অনলাইন আবেদন

তৃতীয় ধাপ : Aadhar Number/ Virtual ID এর কলমে আপনাকে আপনার আধার কার্ড নম্বরটি বসাতে হবে। তারপর নিচে I agree এর বাক্স টিতে টিক চিহ্ন [√] বসাতে হবে।

হেলথ আইডি কার্ড অনলাইন আবেদন
হেলথ আইডি কার্ড অনলাইন আবেদন

তারপর Captcha code টি দেখে দেখে সঠিকভাবে Captcha বাক্সে Captcha কোড গুলো ফিলাপ করার পর নিচে দেওয়া Submit বোতামটিতে ক্লিক করতে হবে।

চতুর্থ ধাপ : এখানে নতুন উইন্ডোই আধার লিংক রেজিস্টার মোবাইল নম্বরে যে OTP আসবে, সেই OTP টি মোবাইল থেকে দেখে দেখে Aadhar OTP এর বাক্সটিতে বসিয়ে নিচের Submit বোতামে ক্লিক করতে হবে।

হেলথ আইডি কার্ড অনলাইন আবেদন
হেলথ আইডি কার্ড অনলাইন আবেদন

পঞ্চম ধাপ : এখানে নতুন উইন্ডোটিতে আরো একবার আপনার দশ অঙ্কের মোবাইল নম্বরটি বসিয়ে নিচের Submit বোতামে ক্লিক করতে হবে।

হেলথ আইডি কার্ড অনলাইন আবেদন
হেলথ আইডি কার্ড অনলাইন আবেদন

ষষ্ঠ ধাপ : এই উইন্ডোটিতে আপনার মোবাইলে আসা OTP টি আরো একবার OTP এর কলমটিতে সঠিকভাবে বসিয়ে Submit বোতামে ক্লিক করতে হবে।

হেলথ আইডি কার্ডের সুবিধা
হেলথ আইডি কার্ডের সুবিধা

সপ্তম ধাপ : এখানে আপনি Your Profile এর নতুন একটি উইন্ডো দেখতে পাবেন,সেখানে যথারীতি আধার কার্ডের ডেটা অনুযায়ী আপনার ফটো নাম ইত্যাদি এসে যাবে।

এবারে আপনাকে এখানে গুগুল পে,ফোন পে,পেটাম বিভিন্ন UPI এপ্লিকেশন গুলোতে যেমন UPI ID তৈরী করেন সেরকম নিজের জন্য একটি UPI ID এর মত PHR Address (Personnel Health Record) চয়েস করতে হবে।

হেলথ আইডি কার্ডের সুবিধা
হেলথ আইডি কার্ডের সুবিধা

যেমন- আমার নাম soumit তাহলে এখানে আমাকে আমার নাম Soumit বসাতে হবে এবং আমার PHR Address হয়ে যাবে [email protected] ,আপনারা এখানে PHR Address এর জায়গায় আপনারা নিজের নাম বসাবেন।

PHR Address এর নিচে email id র একটি কলম দেখতে পাবেন,সেখানে আপনাকে একটি ইমেল আইডি দিতে হবে। তবে email ID দেওয়া না দেওয়া Optional ব্যাপার।

তাই আপনার যদি কোনো মেইল আইডি না থাকে তাতে কোনো অসুবিধা নেই। যাইহোক আপনার যদি ইমেল আইডি থাকে দিন,নইলে ইমেল আইডির জায়গা খালি রেখে নিচে Submit বোতামে ক্লিক করুন।

হেলথ আইডি কার্ড অনলাইন আবেদন
হেলথ আইডি কার্ড অনলাইন আবেদন

অষ্টম ধাপ : এবারে আপনার সামনে নতুন একটি উইন্ডো ওপেন হবে সেখানে আপনার হেলথ আইডি কার্ড শো আপ হবে এবারে আপনি নিচে Download Health ID Card বোতামে ক্লিক করে হেলথ আইডি কার্ড ডাউনলোড করে নিন।

FAQ

প্রশ্ন : হেলথ আইডি কার্ড বানানো বাধ্যতা মূলক কি ?

উঃ হেলথ আইডি কার্ড বানানো বাধ্যতামূলক নয়। তবে স্বাস্থ্য পরিকাঠামোয় ডিজিটালাইজেশনের জন্যে হেলথ আইডি কার্ড বানানো দরকার।

প্রশ্ন : বাচ্চাদের হেলথ আইডি কার্ড বানানো যাবে ?

উঃ ০৬ বছরের নিচের যাদের আধার কার্ড নেই সেই সমস্ত বাচ্চাদের হেলথ আইডি কার্ড বানানো যাবে। তবে ০৬ বছরের নিচে যে সমস্ত বাচ্চাদের আধার কার্ড নেই,সেক্ষেত্রে মোবাইল নম্বর দিয়ে হেলথ আইডি কার্ডের জন্যে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে।

প্রশ্ন : PHR আইডি কার্ড বলতে কি বোঝানো হচ্ছে ?

উঃ PHR আইডি কার্ড বলতে এখানে Personnel Health Record বোঝানো হচ্ছে। PHR আইডি অনেকটা আপনার UPI আইডির মত।

প্রশ্ন : হেলথ আইডি কার্ড বানানোর জন্য আধার কার্ড কি বাধ্যতা মূলক ?

উঃ হেলথ আইডি কার্ড বানানোর জন্যে আধার কার্ড বাধ্যতামূলক নয়। আপনি আপনার মোবাইল নম্বর দিয়েও হেলথ আইডি কার্ড বানাতে পারেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here