বিটকয়েন কেনা বেচা কিভাবে করবেন (Bitcoin Kena Becha Kivabe Korben)

বিটকয়েন কি,বিটকয়েন কেনা বেচা কিভাবে করবেন,ব্লকচেইন টেকনোলজি,বিটকয়েন থেকে ইনকাম কিভাবে করবেন।

আপনারা সবাই জানেন ভালোভাবে জীবন অতিবাহিত করার জন্যে আমাদের ভালো স্বাস্থ্যর সাথে সাথে পর্যাপ্ত সম্পদ থাকাটাও জরুরী। তাই মানুষ নিজের ভবিষ্যতের কথা ভেবে এখন থেকে

তার নিজের টার্গেট অনুযায়ী কিছু কিছু করে দৈনিক উপার্জনের অবশিষ্ট হিসাবে কিছু সম্পদ ভবিষ্যতের জন্যে সঞ্চয় স্বরূপ কোনো জায়গায় নিবেশ করে রাখে।

বর্তমানে নিবেশ করার বহু প্রণালী আছে, কিন্তু তার মধ্যে ক্রিপ্টোকারেন্সি হিসাবে বিটকয়েন কিনে নিবেশ করে রাখাকে অন্যতম মুনাফাবান একটি নিবেশ পক্রিয়া বলে মনে করা হচ্ছে।

কিন্তু যারা নতুন তাদের কাছে, বিটকয়েন কি, বিটকয়েন কিভাবে কিনব, ভারতে বিটকয়েন কেনা বেচা কিভাবে করতে হয় ? এইসমস্ত বিষয় গুলো সম্পূর্ণ নতুন একটা বিষয়।

বর্তমান সময়ে ক্রিপ্টোকারেন্সির ট্র্যাক রেকর্ড উঠিয়ে দেখলে দেখতে পাওয়া যায় বিটকয়েনের মত ক্রিপ্টোকারেন্সিতে যারা ১০০০ থেকে ২০০০ টাকা বিনিয়োগ করে রেখেছিল তারা এখন ০২ থেকে ০৩ কোটি টাকার মালিক।

আজকের আর্টিকেলে আমরা বিটকয়েন কেনা বেচা কিভাবে করতে হয়,বিটকয়েন থেকে ইনকাম কিভাবে করবেন,বিটকয়েন কি সংক্ষেপে বর্ণনা করার চেষ্টা করব।

বিটকয়েন কি (Bitcoin Ki)

সাধারণ ভাবে বলতে গেলে আর ০৫ টা দেশের কারেন্সির মত বিটকয়েন হল এক প্রকারের কারেন্সি। তবে বিটকয়েনের আর পাঁচটা কারেন্সির থেকে আলাদা কিছু বৈশিষ্ট আছে যা বিটকয়েনকে আর পাঁচটা কারেন্সি থেকে আলাদা করে দেয়।

বিটকয়েন হল একপ্রকারের অভৌতিক মুদ্রা ব্যবস্থা যার নিজস্ব কোনো রূপ ও রং কিছুই নেই,বিটকয়েনকে চোখে দেখা যায়না। তবে বিটকয়েনকে বিভিন্ন লেনদেনের কাজে ডিজিট্যালি এক ওয়ালেট থেকে অন্য ওয়ালেটে ট্রান্সফার করে খরচ করা যায়।

( আরো পড়ুন : বিটকয়েন কিভাবে কিনবেন )

অনেকটা আমরা যেমন ভারতীয় মুদ্রাকে ডিজিট্যাল ভাবে Phonepe,Paytm ইত্যাদি ওয়ালেট গুলো থেকে যেমন UPI আইডি দিয়ে ট্রান্সফার করি ঠিক অনেকটা একইভাবে বিটকয়েন, এক ওয়ালেট থেকে অন্য ওয়ালেটে স্থানান্তর করা যায়।

তবে ক্রিপ্টোকারেন্সি অথাৎ বিটকয়েনের দাম বাজার স্বাপেক্ষে কম বেশি হয়। তাই মানুষ বিটকয়েনের দাম কমলে, কম দামে বিটকয়েন কিনে রাখে এবং দাম বাড়লে বেশি দরে বিটকয়েন বিক্রি করে মুনাফা কামায়।

বিটকয়েনকে, বিটকয়েনের অনলাইন ওয়ালেটে সংগ্রহ করে রাখতে হয় এবং ওয়ালেট থেকেই খরচ করতে হয়। ২০০৯ সালে সাতোশি নাকামতো নামের এক ব্যক্তি ছদ্মনামে বিটকয়েন নামক ক্রিপ্টোকারেন্সিটি আবিষ্কার করেন।

কয়েক বছরের মধ্যে হঠাৎ করে বিটকয়েনের দাম বেড়ে যাওয়ায়, অনেক কম সময়ে বিটকয়েনে নিবেশ করে বহু ব্যক্তি রাতারাতি কোটিপতি হয়ে গেছেন। বিটকয়েন হল এক প্রকারের ডিজিট্যাল বিকেন্দ্রীকৃত মুদ্রাপ্রণালী,

যা আজ সর্বাধিক জনপ্রিয় একটি ডিজিট্যাল মুদ্রা। বিটকয়েন কারেন্সির কোনো মালিক নেই, বিটকয়েন কোনো দেশের সরকার অথবা কোনো ব্যাঙ্কের দ্বারা পরিচালিত হয়না।

তাই সাধারণ কারেন্সি অপেক্ষা বিটকয়েনের ওয়ালেটে লেনদেন করা অনেক সহজ। বর্তমানে ০১ টি বিটকয়েনের মূল্য ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৫০ লক্ষ টাকা।

বিটকয়েনের ব্যবহার (Bitcoin Uses)

বিটকয়েন এক প্রকারের ক্রিপ্টোকারেন্সি তাই বিটকয়েনের ব্যবহার আমরা বিভিন্নভাবে করতে পারি। শেয়ার মার্কেটের মত বিটকয়েনের মূল্য কখনো কম আবার কখনো বেশি হয়।

তাই ক্রিপ্টোকারেন্সি অথাৎ বিটকয়েনকে শুধু মুদ্রা হিসাবে না ধরে ক্রিপ্টোকারেন্সি দিয়ে অনলাইন ট্রেডিং করা যায়। যার রিটার্ন শেয়ার মার্কেটের তুলনায় কয়েক লক্ষ গুণ বেশি।

(আরো পড়ুন : ভারতে বিটকয়েন কিভাবে কিনবেন )

এছাড়াও বিটকয়েনের ব্যবহার বিভিন্নভাবে করা যায় –

  • বিটকয়েন দিয়ে বিশ্বের যে কোনো জায়গায়, একদেশ থেকে অন্য দেশে ইন্টারন্যাশনাল ট্রানজেকশন করা যায়।
  • আপনি আপনার বিটকয়েন বিক্রি করলে, বিটকয়েন বিক্রির টাকা সোজাসোজি আপনার ব্যাঙ্ক একাউন্টে ক্রেডিট হয়ে যায়।
  • বিটকয়েন দিয়ে বিভিন্ন রকম অনলাইন বিপনী সংস্থাগুলোর থেকে ভাউচার কেনা যায়।
  • বিটকয়েন দিয়ে মোবাইল রিচার্জ, ডিটিএইচ রিচার্জ ইত্যাদি করা যায়।
  • বিটকয়েন দিয়ে অনলাইন শপিং করা যায়।

ব্লকচেইন টেকনলজি (Blockchain Technology)

আপনাদের মধ্যে অনেকেই আছেন যারা ডিজিট্যাল ক্রিপ্টোকারেন্সি হিসাবে বিটকয়েনে নিবেশ করতে চান। কিন্তু বিটকয়েন টেকনলজি কিভাবে কাজ করে অথাৎ বিটকয়েনের ব্লকচেইন টেকনোলজির

পর্যাপ্ত সঠিক পরিমান জ্ঞান না থাকায় মানুষ ডিজিট্যাল কারেন্সিতে ইনভেস্টমেন্ট করতে ভয় পায়। আসুন তাহলে আমরা এখন বিটকয়েন কিভাবে কাজ করে, বিটকয়েনের পিছনের ব্লকচেইন টেকনোলজিকে বোঝা যাক।

বিটকয়েনে নিবেশ করার আগে বিটকয়েনের পিছনের টেকনোলজিকে বোঝা দরকার। বিটকয়েন ক্রিপ্টোকারেন্সির নির্মাণে ব্লকচেইন টেকনোলজির (Blockchain) ব্যবহার করা হয়েছে।

সাধারণভাবে ব্লকচেইন টেকনোলজি ওপেন সোর্স সফ্টওয়ার দ্বারা তৈরী করা হয়েছে, বিটকয়েনের নির্মাণে ডিজিট্যাল লেজারের ব্যবহার করা হয় যাকে ব্লকচেইন টেকনোলজি (Blockchain) বলা হয়।

আমাদের ব্যাঙ্ক একাউন্টের যাবতীয় লেনদেনের হিসাব যেমন ব্যাঙ্কের লেজারে নোট করা থাকে,ঠিক একইভাবে বিটকয়েন ওয়ালেটের বা বিটকয়েন একাউন্টের যাবতীয় জমা খরচের হিসাব ডিজিট্যাল লেজার মানে ব্লকচেইনে নোট করে রাখা হয়।

সাতোশি নাকামতো নামের ব্যক্তি ব্লকচেইন টেকনোলজির দিয়ে বিটকয়েন আবিষ্কার করেন। আর আজ বাজারে বিটকয়েন ছাড়াও যে সমস্ত ক্রিপ্টোকারেন্সি আছে সেগুলোও ব্লকচেইন টেকনোলজি ব্যবহার করে নির্মাণ করা হয়েছে।

(আরো পড়ুন : বিটকয়েন মাইনিং কি, বিটকয়েন কিভাবে তৈরী হয়)

বিটকয়েন কি
বিটকয়েন কি

বিটকয়েন থেকে ইনকাম কিভাবে করবেন

অনেকটা শেয়ার বাজারে নিবেশ করার মত করে বিটকয়েনে নিবেশ করতে হয়। বিটকয়েন কোনো সংস্থা বা ব্যাঙ্ক দ্বারা নিয়ন্ত্রিত না হওয়ায় বহুদেশে বিটকয়েনকে ব্যান্ড করে দেওয়া হয়েছে।

বিটকয়েনের মূল্য সময়ের সাথে সাথে কখনো কমে তো আবার কখনো মূল্য বাড়ে। তাই কমদামে বিটকয়েন কিনে রেখে সময়ে বিটকয়েনের দাম বাড়লে বিক্রি করলে বিটকয়েন থেকে মোটা টাকা রোজগার করা যায়।

বিগত কয়েকমাসে বাজার স্বাপেক্ষে বিটকয়েনের দামের অনেকবার উত্থান পতন হয়েছে ,কয়েকমাস আগে ০১ টি বিটকয়েনের দাম ছিল ৩২ লক্ষ টাকা আজকে ০১ টি বিটকয়েনের মূল্য প্রায় ৫০ লক্ষ টাকা।

বিটকয়েনের নিবেশকে শেয়ার মার্কেট বা রিয়েল স্টেট্ বিজেনেসে বিনিয়োগ করার মত মনে করা হলেও বাস্তবে বিটকয়েন শেয়ার মার্কেট এবং রিয়েল স্টেট্ বিজনেসের থেকে কয়েক লক্ষ গুন্ বেশি রিটার্ন দেয়।

বিটকয়েন কিভাবে কিনবেন (Bitcoin Kivabe Kenben)

ভারতে বিটকয়েন কেনার বহু প্লাটফর্ম আছে, কিন্তু এইসব প্লাটফর্ম গুলোর মধ্যে থেকে বেছে বেছে একটি বিশ্বাসনীয় ক্রিপ্টোকারেন্সির ওয়েবসাইট বেছে নিয়ে, বিটকয়েন ওয়ালেটে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে।

একবার আপনার বিটকয়েন ওয়ালেট রেজিস্ট্রেশন হয়ে গেলে আপনি নেট ব্যাঙ্কিং, ক্রেডিট কার্ড, এটিএম কার্ড ইত্যাদি থেকে সরাসরি বিটকয়েন ওয়ালেটে টাকা অ্যাড করতে পারবেন।

ঠিক যেমনভাবে অনলাইন ট্রেডিং ওয়েবসাইট ওয়ালেট গুলোতে টাকা অ্যাড করতে হয়, ঠিক একইভাবে আপনি আপনার বিটকয়েন ট্রেন্ডিং ওয়ালেটে টাকা অ্যাড করে, আপনার পছন্দের ক্রিপ্টোকারেন্সি কিনতে পারেন।

বর্তমানে ভারতে যে সমস্ত বিটকয়েন ওয়ালেট গুলো চালু আছে, তার মধ্যে কয়েকটি বিশ্বাসনীয় বিটকয়েন ট্রেডিং ওয়েবসাইট হল, যেমন- WazirxUnocoin, এবং Zebpay হল জনপ্রিয় ক্রিপ্টোকারেন্সির ওয়ালেট।

01. বাজিরক্স (wazirx)

Wazirx হল ভারতে বিটকয়েন কেনা বেচা করার একটি জনপ্রিয় প্লাটফর্ম। Wazirx ক্রিপ্টোকারেন্সি এক্সচেঞ্জের ওয়েবসাইটিতে এন্ড্রোইড মোবাইল চালাতে পারেন এমন যে কোনো ব্যক্তি খুব সহজে বিটকয়েন একাউন্ট খুলতে পারেন।

তাছাড়া Wazirx এর ইউজার্ ফ্রেন্ডইলি লুক, অন্যান্য ক্রিপ্টোকারেন্সি এক্সচেঞ্জ ওয়েবসাইট গুলোর তুলনায় অনেক বেশি আকর্ষণীয় এবং অনেক বেশি ফিচার মানুষকে সহজেই আকৃষ্ট করে।

বাজিরক্স (wazirx ) ক্রিপ্টোকারেন্সি ওয়েবসাইটের কিছু বৈশিষ্ট –

  1. বাজিরক্স (wazirx) ট্রেডিং প্লাটফর্ম ব্যবহার আপনি আপনার ল্যাপটপ ও কম্পিউটার (window + Mac Opreating System) ছাড়াও এন্ড্রোইড,আই ও এস মোবাইল প্লাটফর্মে মোবাইলে এক্সেস করতে পারেন।
  2. বাজিরক্স (wazirx) ক্রিপ্টো কারেন্সি প্লাটফর্ম থেকে USDT (Tether United State Dollars, ১:১ backed US Dollars ধরা হয়) করে আপনি ১০০ এরও অনেক বেশি ট্রেডিং প্লাটফর্মে বিটকয়েন এক্সচেঞ্জ করার বিশেষ সুবিধা আছে।
  3. বাজিরক্স (wazirx) এর অতি দ্রুতগতি সম্পন্ন আধুনিক ইলেক্ট্রনিক হোস্টিং সার্ভার প্রতি সেকেন্ডে কোটিরও বেশি ট্রানজেকশনের ইউজার লোড নিতে সক্ষম। তাই বাজিরক্স প্লাটফর্ম থেকে করা বিটকয়েনের সমস্ত রকম লেনদেন স্থিরতার সঙ্গে কোনো রকম সার্ভিস এরর ছাড়াই অনেক দ্রুত সম্পন্ন করে।

বাজিরক্স (wazirx ) থেকে বিটকয়েন কিভাবে কিনবেন

আপনার ক্রিপ্টো কারেন্সি কেনার ইচ্ছে থাকে তাহলে আপনি বাজিরক্স (Wazirx) এর বিটকয়েনের ওয়েব সাইট থেকে বিটকয়েন কিনতে পারেন।

ক্রিপ্টো কারেন্সি আপনি আপনার মোবালের Wazirx এর মোবাইল এপ্লিকেশন এবং কম্পিউটার ব্রাউজারের wazirx ওয়েবসাইট খুলে ধাপে ধাপে ক্রিপ্টো কারেন্সি কিনতে পারেন।

02. ইউনোকয়েন (Unocoin)

ভারতে বিটকয়েন কেনা বেচার আর একটি অন্যতম ক্রিপ্টোকারেন্সির ওয়েবসাইট হল ইউনোকয়েন (Unocoin) . ইউনোকয়েন ওয়েবসাইট থেকে আপনি খুব সহজেই বিটকয়েন কিনতে পারেন।

তাছাড়া ইউনোকয়েন ওয়েবসাইটির কিছু বিশেষ ফিচার আছে যেগুলো আর অন্যান্য বিটকয়েন ওয়েবসাইট গুলো থেকে ইউনোকয়েন কে আলাদা করে দেয়।

ইউনোকয়েন (Unocoin) ক্রিপ্টোকারেন্সি ওয়েবসাইটের কিছু বৈশিষ্ট –

  1. ইউনোকয়েন গ্রাহকদের এক ইউনোকয়েন ওয়ালেট থেকে আর এক ইউনোকয়েন ওয়ালেটে বিটকয়েন ট্রান্সফার করার জন্যে কোনো রকমের ট্রানজেকশন শুল্ক দিতে হয়না।
  2. ইউনকোয়েনের Simple Intergration ডেটাবেস থেকে খুব সহজেই প্রাইভেট ওয়ালেট থেকে বিজনেস ওয়ালেটে লেনদেন করা যায়।
  3. বিটকয়েনের ট্রেডিং মূল্য বাড়া কমা হলে ইউনোকয়েন ওয়ালেট থেকে খুব সহজেই ০% রিস্কে বিটকয়েন কেনা বেচা করা যায়।
  4. ইউনোকয়েন ওয়ালেট ব্যবহার করার জন্যে কোনো রকম অ্যানুয়াল ফিস দিতে হয়না।
  5. ইউনোকয়েন ওয়ালেটের অটো বাই ও সেল অপশন ইউজ করে আপনি আপনার ফিস্ক করা রেটে সহজে বিটকয়েন কেনা বেচা করতে পারেন।
  6. ইউনিকোয়েন ওয়ালেটের টু স্টেপ ভেরিফিকেশন অথেনটিকেশন ইউনোকয়েন ওয়ালেটকে অনেক বেশি প্রাইভেসি প্রদান করে।

ইউনোকয়েন (Unocoin) ওয়ালেট থেকে বিটকয়েন কিভাবে কিনবেন

ইউনোকয়েন ওয়েবসাইট থেকে কিভাবে বিটকয়েন কেনা যায় তাই নিয়ে ভাবানা চিন্তার কোনো কারণ নেই, আপনি ইউনোকয়েন (Unocoin) এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ভিজিট করে বিটকয়েন কিনতে পারেন।

ইউনোকয়েন ওয়েব সাইট থেকে বিটকয়েন কেনার জন্যে সবার প্রথমে আপনাকে ইউনোকয়েনের ওয়েব সাইটে ভিজিট করে কয়েকটি ধাপ ফলো করে বিটকয়েন কিনতে হবে।

03. জিবপে (Zebpay)

জনপ্রিয়তার নিরিখে Zebpay হল আর একটি অন্যতম জনপ্রিয় একটি ক্রিপ্টোকারেন্সি ট্রেডিং প্লাটফর্ম। বর্তমানে Zebpay এর ৫০০০০+ ছোট বড় ভেন্ডর রয়েছে।

জিবপে (Zebpay) এর কিছু বৈশিষ্ট সমূহ

  1. জিবপে ওয়ালেট থেকে আপনি মোবাইল রিচার্জ, ডিটিএইচ রিচার্জ ইত্যাদি খুব সহজে করতে পারবেন।
  2. জিবপে ওয়ালেট থেকে বিভিন্ন ধরণের অনলাইন বিপনী যেমন- ফ্লিপকার্ট, আমেজন,মেক মাই ট্রিপ ইত্যাদির ভাউচার কিনলে ১০ % ছাড় পাওয়া যায়।
  3. জিবপে ওয়ালেট খুব স্বল্প মূল্যে বিটকয়েনের সাথে মানি এক্সচেঞ্জ করা যায়।
  4. জিবপে মোবাইল এপ্লিকেশন গুগল প্লে স্টোরে উপলব্ধ আছে, আপনারা সেখান থেকে জিবপে ডাউনলোড করে বিটকয়েন কিনতে পারেন।

আপনি চাইলে zebpay এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে না গিয়ে, Zebpay এর মোবাইল এপ্লিকেশন থেকে খুব সহজে বিটকয়েন ক্রিপ্টোকারেন্সি কিনতে পারেন।

বিটকয়েন কিভাবে বেচবেন (Bitcoin Kivabe Bechben)

বিটকয়েন কেনার মতই বিটকয়েন বেচাও অতি সহজ। তবে শুধু বিটকয়েন কেন, আপনি চাইলে আপনার ক্রিপ্টোকারেন্সির ওয়ালেট থেকে যেকোনো ক্রিপ্টোকারেন্সি কেনা বেচা করতে পারেন।

তবে ক্রিপ্ট্যাকারেন্সি এক্সচেঞ্জ করার আরো অন্যান্য যে সমস্ত প্লাটফর্ম গুলো আছে তার মধ্যে wazirx, Unocoin, Zebpay এই ওয়ালেট গুলো দিয়েই ভারতে সবথেকে বেশি পরিমানে ক্রিপ্টো কেনা বেচা করা হয়।

তাছাড়া wazirx নামের ক্রিপ্টোকারেন্সি ওয়ালেটটির কর্ণধার একজন ভারতীয়। তাই আমার মনে হয় ভারতের বুকে আর যে সমস্ত ক্রিপ্টোকারেন্সির ওয়েবসাইট আছে তার মধ্যে wazirx একটি নিরাপদ ক্রিপ্টোকারেন্সি এক্সচেঞ্জ প্লাটফর্ম।

পরিশিষ্ট

আমার বিশ্বাস আপনারা বিটকয়েন কি এবং বিটকয়েন কিভাবে কিনবেন বা বিটকয়েন কেনা বেচা কিভাবে করতে হয় তার একটি মৌখিক ধারণা আমাদের আর্টিকেলে পেয়েগেছেন।

আমরা পাঠকদের কাছে সর্বদা ভালোমানের কন্টেন্ট উপহার দেওয়ার চেষ্টা করি। আশাকরি আমাদের আর্টিকেলটি আপনার পছন্দ হয়েছে। আমরা বিটকয়েন নিয়ে আরো ভালো ভালো তথ্য আপনাদের কাছে তুলে ধরার চেষ্টা করব।

আমাদের লেখা পড়ে আপনার মূল্যবান ফিডব্যাক দিয়ে আমাদের উৎসাহ বাড়াবেন, যাতে ভবিষ্যতে আমরা আরো ভালোমানের কন্টেন্ট আপনাদের উপহার দিতে পারি।

আপনার আমাদের লেখা কন্টেন্টটি যদি ভালো লাগে তাহলে আমাদের ফাইভ ষ্টার রেটিং দিয়ে অবশ্যই সাপোর্ট করবেন, এবং আর্টিকেলটি ভাই বন্ধুদের মাঝে বেশি বেশি করে শেয়ার করবেন। ধণ্যবাদ।

4/5 - (3 votes)

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here