ডেবিট কার্ড কি,ডেবিট কার্ড খোলার নিয়ম, ডেবিট কার্ড ব্যবহারের নিয়ম (Debit Card Ki,Debit Card Kholar Niyom, Debit Carder Byabohar)

আজকের ট্রপিকে আমাদের মূল আলোচনার বিষয় বস্তু হল ডেবিট কার্ড নিয়ে। এখন আমরা ডেবিট কার্ড কি, ডেবিট কার্ড খোলার নিয়ম, ডেবিট কার্ড ব্যবহারের নিয়ম, ডেবিট কার্ড কত প্রকারের হয়, ডেবিট কার্ড কিভাবে কাজ করে ?

এই সমস্ত বিষয় গুলো নিয়ে আলোচনা করব। বিশেষত করোনা মহামারী আমাদিকে অনেক কিছু শিখিয়েছে। করোনার পর থেকেই মানুষ সরাসরি hand to hand cash লেনদেনের পরিবর্তে ডিজিট্যাল লেনদেনকে প্রাধান্য দিতে শিখেছে।

আর ডিজিট্যাল লেনদেনের অন্যতম প্রধান উপাদেয় হল ডেবিট কার্ড যাকে আমরা ATM Card বলি। ডেবিট কার্ড পাওয়ার জন্যে সবার প্রথমে আপনার নিজের নামে একটি bank account থাকতে হবে।

কারণ Bank তার গ্রাহকদের টাকা পয়সার সুষ্ঠ লেনদেনের জন্যে Debit Card প্রদান করে থাকে। Debit Card দিয়ে ATM meshine থেকে টাকা তোলার পাশাপাশি আমরা online কেনাকাটার জন্যে Debit Card ব্যবহার করতে পারি।

চলুন তাহলে আমরা ডেবিট কার্ড কি আর্টিকেলের মাধ্যমে ডেবিট কার্ডের যাবতীয় সুবিধা অসুবিধা ও ডেবিট কার্ড ব্যবহারের নিয়ম, ডেবিট কার্ড খোলার নিয়ম সমস্ত কিছু জানার চেষ্টা করি।

ডেবিট কার্ড কি- What is Debit Card in Bangla.

ডেবিট কার্ড কি ? এই প্রশ্নের উত্তর যদি দিতে যায় তাহলে বলতে হয়, ডেবিট কার্ড হল এমন এক ধরণের payment card, যে কার্ডের ব্যবহার গ্রাহক যদি কোনো কিছু কেনাকাটার জন্যে ব্যবহার করে

তাহলে Debit Carde এর মাধ্যমে সরাসরি গ্রাহকের ব্যাংক একাউন্ট থেকে টাকা deduct অথাৎ টাকা কেটে নেওয়া হয়। একটি ডেবিট কার্ড সাধারণত এক ধরণের কার্ডই হয়।

যার ব্যবহার fund transfer, cash withdraw, online transaction ইত্যাদির করার জন্যে করা হয়। তবে ডেবিট কার্ডের অনেক নাম আছে, যেমন- plastic cash, bank card এছাড়া ATM Card ইত্যাদি।

ডেবিট কার্ডের মাধ্যমে আপনি আপনার ব্যাংকের Saving Account খুব সহজভাবে ATM মেশিন দিয়ে electronically access করতে পারবেন। আপনি আপনার convenince থেকে ডেবিট কার্ড দিয়ে টাকা deposit এবং withdraw করতে পারবেন।

যখন আমরা ব্যাংকে আমাদের একাউন্ট খুলি তখন ব্যাংক থেকে আমাদের Debit Card দেওয়া হয়। যা আমাদের ব্যাংক একাউন্টের সঙ্গে সংযুক্ত করা থাকে।

এই কার্ডের সাহায্যে আমরা এটিএম মেশিন থেকে টাকা তুলতে পারি। ডেবিট কার্ড দিয়ে আমরা online transactions এবং shopping করতে পারি, এছাড়া এক ব্যাংক একাউন্ট থেকে অন্য ব্যাংক একাউন্টে টাকা ট্রান্সফার করতে পারি।

এছাড়াও আপনারা shopping mall অথবা দোকানে গিয়ে shopping করার সময় সেখানে debit card দিয়ে কেনাকাটা করতে পারেন। ডেবিট কার্ড দিয়ে shopping করা খুব সহজ,

কেনাকাটার সঠিক amount বসিয়ে card এর PIN বসালেই transaction পক্রিয়া সম্পন্ন হয়ে যায়। আমরা যখন আমাদের ডেবিট কার্ডটি কেনাকাটার জন্যে অথবা bank transactions করার জন্যে ব্যবহার করি

তখন আমাদের ব্যাংক একাউন্ট থেকে সরাসরি টাকা কেটে নেওয়া হয় এবং ব্যাংকের তরফ থেকে আমাদের রেজিস্টার মোবাইল নম্বরটিতে একটি sms এর মাধ্যমে গ্রাহকের একাউন্ট থেকে কত টাকা কাটা হয়েছে,

এবং কত টাকা ব্যালেন্স রয়েছে জানানো হয়। এইভাবে খুব সহজে আমরা আমাদের ডেবিট কার্ডটি কেনাকাটা এবং টাকা পয়সা আদান প্রদানের জন্যে ব্যবহার করতে পারি।

আরো পড়ুন : ডেবিট কার্ড ও ক্রেডিট কার্ডের মধ্যে পার্থক্য কি ?

ডেবিট কার্ড কত প্রকারের হয়- diffrent type of debit card.

Bank তার গ্রাহকদের Debit card এর সুবিধা প্রদান করার জন্যে বিভিন্ন ধরণের Debit Card Service Provider কোম্পানি গুলোর সাথে colabration করে, bank আমাদের ডেবিট কার্ডের service দিয়ে থাকে।

ডেবিট কার্ড কি
ডেবিট কার্ড কি

আমরা এখানে যদি Debit Card এর প্রকারভেদ খুঁজতে যায়, তাহলে কিন্ত আমরা বিভিন্ন ধরণের ডেবিট কার্ড দেখতে পাব। কিন্ত সর্বপরি ডেবিট কার্ড গুলোকে classify করা হয় technology, payment platform এবং usage এর উপর।

ক. Technology এর উপর আধার করে

০১. Contactless Debit Card- এই ধরণের ডেবিট কার্ডে মূলত radio frequency identification (RFID) technology এর ব্যবহার করা হয় এই ধরণের technology কে near field communication (NFC) বলা হয়।

এই ধরণের technology ডেবিট কার্ডের মাধ্যমে secure transactions করার জন্যে ব্যবহার করা হয়। এখানে ডেবিট কার্ড দিয়ে শুধুমাত্র tap করেই transaction পক্রিয়া সম্পন্ন করা যায়।

০২. Magnetic Stripe Debit card– এই ধরণের ডেবিট কার্ডে magnetic band এর মধ্যে tiny iron based particles technology এর ব্যবহার করা হয়।

এই ধরণের ডেবিট কার্ড গুলোকে swipe card বলা হয়। এই ধরণের ডেবিট কার্ড গুলোকে খুব সহজভাবে একটি magnetic reading head দিয়ে swipe করে transaction পক্রিয়া সম্পন্ন করা যায়।

০৩. Chip এবং Pin Debit Card- এই ধরণের ডেবিট কার্ডে সবথেকে বেশি evolved version technology এর ব্যবহার করা হয়। এই কার্ডের মধ্যে একটি chip থাকে, যা ডেবিট কার্ডের transact এর encrypted format এ ডেটাকে storage করে।

আর এই ধরণের ডেবিট কার্ডের transaction পক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্যে প্রত্যেকবার PIN অথাৎ Personal Identification Number এর প্রয়োজন হয়।

খ. Usage এর উপর আধার করে

০১. Prepaid Debit Card– এই ধরণের ডেবিট কার্ড গুলো অন্য ডেবিট কার্ড গুলো থেকে একটু আলাদা। এই ধরণের ডেবিট কার্ড গুলো সরাসরি ব্যাংক একাউন্টের সঙ্গে লিংক থাকেনা।

তাই ডেবিট কার্ড দিয়ে transaction করলে ব্যাংক একাউন্ট থেকে কোনো ধরণের টাকা কাটেনা। এই ধরণের ডেবিট কার্ড গুলো ব্যবহার করার জন্যে advance মোবাইল রিচার্জের মত আগে টাকা রিচার্জ করতে হয়।

তারপর এই কার্ড থেকে যখন খুশি লেনদেন করা যায়। এই ধরণের ডেবিট কার্ড গুলো মূলত forex (Foreign Exchange) বিদেশে বেড়াতে গিয়ে টাকা পয়সা খরচা করার জন্যে ব্যবহার করা হয়।

০২. International Debit Card– এই ধরণের ডেবিট কার্ড গুলো মূলত বিদেশে টাকা transaction করার জন্যে ব্যবহার করা হয় এবং সাথে সাথে International Bank এর ATM থেকে টাকা তোলা যায়।

তাই এই ধরণের ডেবিট কার্ড গুলোকে International prepaid Debit Card বলা হয়। তবে এই ডেবিট কার্ডে total transaction value এর উপর Foreign Exchange Markup হিসাবে ডেবিট কার্ডের উপর extra charge add করা হয়।

International debit card এ extra charge markup হিসাবে transaction এর উপর ৩.৫ % charge দিতে হয় এবং foreign currency withdraw করার জন্যে এই ডেবিট কার্ডের উপর আপনাকে additional charge দিতে হয়।

০৩. Virtual Debit Card– এই ধরণের ডেবিট কার্ড গুলো typical physical debit cards এর মত নয়। এই ধরণের ডেবিট কার্ড দিয়ে খুব সহজেই phone এবং internet দ্বারা access করে online payments করা যায়। তবে আপনি এই ধরনের payments শুধু একবারই করতে পারবেন।

০৪. Business Debit Card- এই ধরণের ডেবিট কার্ড গুলো শুধুমাত্র corporate people দের business purpose এ ব্যবহার করার জন্যে দেওয়া হয়।

গ. Payment platform এর উপর আধার করে

০১. Visa Debit Card- এই ধরণের ডেবিট কার্ড গুলো এমন ধরণের ডেবিট কার্ড যেগুলো Visa দ্বারা issue করা হয়। Visa হল উত্তর আমেরিকার একটি International payment সংস্থা।

Visa ডেবিট কার্ড দ্বারা online transactions করার জন্যে verified by Visa (VbV) platform দ্বারা verified করে transaction পক্রিয়া সম্পন্ন হয়।

০২. Visa Electron Debit Card- Visa electron Debit Card অনেকটা Visa Debit Card এর মত হয়। তাই Visa electron Debit Card কে আপনারা Visa debit card এর ভাই বলতে পারেন।

Visa electron ডেবিট কার্ডে একটি আলাদা feature আছে। এই ধরণের ডেবিট কার্ড দিয়ে পেমেন্ট করার সময় আপনার account এ পর্যাপ্ত পরিমানে funds available থাকতে হবে। এই ডেবিট কার্ডে কোনো ধরণের overdraft limit না থাকায়, এই ডেবিট কার্ডকে লেনদেনের জন্যে ব্যবহার করা যায়।

০৩. Maestro Debit Card- Maestro debit Card টিকে বিশ্বব্যাপী মানুষ master card এর trademark এই চেনে। এই ধরণের ডেবিট কার্ডে সমস্ত ধরণের লেনদেন করার জন্যে PIN code ব্যবহার করতে হয়।

০৪. Master Debit Card- এই ধরণের ডেবিট কার্ড গুলো আমাদের দৈনন্দিন লেনদেন পক্রিয়ায় secure এবং convenient access প্রদান করে থাকে। এই ডেবিট কার্ড আবার দুই রকমের হয়- a) Cirrus Debit Card এবং b) Maestro Debit Card.

০৫. Rupay Debit Card- এই ডেবিট কার্ডটি domestic লেনদেনের জন্যে domestic card scheme of National Payments Corporation of India (NPCI) দ্বারা launch করা হয়।

এই ডেবিট কার্ডটি payments over the discover network দ্বারা সমস্ত ধরণের online লেনদেন suport করে। এছাড়াও debit card কে বিভিন্ন ধরণের ধাতুর নাম দিয়েও launch করা হয়ে থাকে।

যেমন- Gold Debit Card, Titanium Debit Card এবং Platinum Debit Card ইত্যাদি। কিন্ত এখানে মজার বিষয় হল ডেবিট কার্ডের নাম বিভিন্ন ধাতুর নামে রাখা হলেও ডেবিট কার্ড গুলোর আদৌও ধাতুর সঙ্গে কোনো সম্বন্ধ থাকেনা।

তবে ধাতুর নাম ও দাম অনুসারে ডেবিট কার্ডের benefits এর তারতম্য থাকে। ডেবিট কার্ডের এই benifits কিন্ত সকল ডেবিট কার্ডের জন্যে একইরকম নয়। প্রত্যেক ব্যাংক নিজের নিজের মত করে তাদের গ্রহকদের নানান ধরনের benefit প্রদান করে থাকে।

আরো পড়ুন : ক্রেডিট কার্ড কি, ক্রেডিট কার্ড পাওয়ার নিয়ম।

ডেবিট কার্ড কিভাবে কাজ করে- Working principal of Debit Card.

সাধারণ ভাবে প্রতিটি ডেবিট কার্ড customer এর একটি নির্দিষ্ট bank account এর সঙ্গে linked থাকে। যখন কোনো customer কোনো bank এ গিয়ে current কিংবা Saving Account খুলে,

bank তখন তার গ্রাহকদের সুবিদার্থে টাকা তোলা online কেনাকাটার জন্যে ডেবিট কার্ড প্রদান করে থাকে। একটি ডেবিট কার্ড দিয়ে কোনো ব্যক্তি খুব সহজেই merchant outlets এবং online sotres থেকে জিনিসপত্র কেনাকাটা করতে পারে।

এই ধরণের লেনদেন প্রক্রিয়াই hand to hand টাকা পয়সা লেনদেন না হওয়ায় এই প্রক্রিয়াকে মূলত cashless transaction পক্রিয়া বলা হয়।

ডেবিট কার্ডটিকে কোনো swipe মেশিনে swipe করে সরাসরি গ্রাহক তার account থেকে অন্য জনের bank account এ নিমেষে টাকা transferred করতে পারে। ডেবিট কার্ড হল ক্রেডিট কার্ডের ঠিক বিপরীত,

ক্রেডিট কার্ডে পরে monthly statements genrate হওয়ার পর bill payment করতে হয় কিন্তু ডেবিট কার্ডে আলাদা করে bill payment করার দরকার হয়না। ডেবিট কার্ডে transaction করার সঙ্গে সঙ্গে টাকা bank account থেকে debit হয়ে যায়।

ডেবিট কার্ড খোলার নিয়মHow to apply Debit Card.

অনেকের মনে প্রশ্ন থাকতেই পারে ডেবিট কার্ড কিভাবে আবেদন করতে হয় অথবা ডেবিট কার্ড খোলার নিয়ম (Debit Card Apply) কি ? এর কারণ কিন্তু একটাই আমাদের মধ্যে আধুনিকতার অভাব।

আবার অনেকেই আছেন যারা ডেবিট কার্ডের ব্যবহার নিয়ম গুলো জানেন। অথচ ডেবিট কার্ড কত প্রকারের হয় সেই বিষয়ে কিছু জানেনা। আসুন তাহলে আমরা এবার ডেবিট কার্ড খোলার নিয়ম গুলোর বিষয়ে একটু ভালোভাবে জানার চেষ্টা করি।

সাধারণভাবে দেখতে গেলে আমরা যে ব্যাঙ্কে গিয়ে ব্যাংক একাউন্ট খুলি সেই ব্যাংকের তরফ থেকে current account এবং saving account, দুই ধরণের account এর সাথে ব্যাঙ্ক আমাদের passbook, cheque book এবং debit card প্রদান করা হয়।

আমরা debit card কে ATM Card বলে থাকি। তবে কোনো কারণ বসত আপনি ব্যাংকে একাউন্ট খোলার সময় ডেবিট কার্ড যদি না পেয়ে থাকেন তাহলেও চিন্তা করার মত কারণ নেই। আপনি যেকোনো সময় ডেবিট কার্ডের জন্যে আবেদন করতে পারেন।

তবে আমরা দুইভাবে ডেবিট কার্ডের জন্যে আবেদন করতে পারি- ০১. Online Debit Card apply এবং ০২. Offline Debit Card apply . চলুন তাহলে আমরা এখন ডেবিট কার্ড খোলার নিয়ম গুলো জানার চেষ্টা করি।

Online Debit Card খোলার করার নিয়ম

online debit card আবেদন করার জন্যে সবার প্রথমে আপনাকে আপনার যে ব্যাংকে account আছে সেই ব্যাংকের official website এ ভিজিট করতে হবে। আমরা এখন state bank of India-র Debit Card আবেদন করার নিয়ম গুলো আলোচনা করব।

নতুন Sbi Debit Card online আবেদন কিভাবে করব

প্রথম ধাপ: – SBI Debit Card Internet Banking এর মাধ্যমে আবেদন করার জন্যে আপনাকে ইন্টারনেটে SBI এর banking portal এ গিয়ে login করে নিতে হবে।

দ্বিতীয় ধাপ: – SBI Internet Banking এ login করতেই আপনি SBI এর একটি সুন্দর Dashbord দেখতে পাবেন। সেখানে উপরের দিকে e-service বলে একটা option দেখতে পাবেন। আপনাকে এখানে e-service option টিতে ক্লিক করতে হবে।

তৃতীয় ধাপ:- e-service option টিতে ক্লিক করতেই আপনি সেখানে নানান ধরণের option দেখতে পাবেন। সেখানে আপনাকে ATM Card Service option টি select করতে হবে।

চতুর্থ ধাপ:- ATM Card Service অপশনটিতে ক্লিক করার পর আপনি সেখানে ০৫ খানা অপশন দেখতে পাবেন। ওখানে আপনাকে ডেবিট কার্ড আবেদন করার জন্যে Request ATM/ Debit Card অপশনটিতে ক্লিক করতে হবে।

পঞ্চম ধাপ:- Request ATM/ Debit Card অপশনটিতে ক্লিক করার পর আপনার সামনে আবার একটি নতুন ড্যাশবোর্ড খুলে যাবে। আপনাকে সেখানে নিজের নাম, আপনার যে ধরণের ডেবিট কার্ড চাই সেই ধরণের ডেবিট কার্ডটি নির্বাচন করতে হবে।

এখানে আপনি বিভিন্ন ধরণের ডেবিট কার্ড নির্বাচন করার অপশন দেখতে পাবেন। আপনাকে সেখান থেকে আপনার প্রয়োজনমত ডেবিট কার্ডটি নির্বাচন করে নিতে হবে।

তবে আপনি যদি আপনার ডেবিট কার্ডটি শুধু আমাদের দেশে মানে ভারতবর্ষেই ব্যবহার করতে চান তাহলে আপনি এখানে বিনা দ্বিধায় Rupay Debit Card টি নির্বাচন করে নিন।

আর যদি আপনি আপনার ডেবিট কার্ড ভারতের বাইরে বিদেশে ব্যবহার করতে চান তাহলে আপনি Global International Visa অথবা Master Card এর জন্যে আবেদন করতে পারেন।

এখানে Sbi Debit Card এর বিভিন্ন প্রকারের মধ্যে আপনার প্রয়োজনীয় ডেবিট কার্ডের অপশনটি নির্বাচন করার পর আপনাকে Accept Terms & Conditions লেখা পাশের বাক্সটিতে টিক করে ক্লিক করতে হবে।

ষষ্ঠ ধাপ:- এবারে এখানে আপনার ঠিকানা পূরণ করার জন্যে একটা কলম পেয়ে যাবেন, এখানে আপনি যে ঠিকানায় আপনার ডেবিট কার্ডটি ডেলিভারি পেতে চান সেই ঠিকানা টি পূরণ করতে হবে।

সপ্তম ধাপ:- এবারে আপনাকে একটি verification process complite করতে হবে। তার জন্যে আপনি এখানে দুটি option দেখতে পাবেন- ০১. OTP দিয়ে Verification, ০২. আপনার Internetbanking এর Profile Pasword verify করে Identify করা।

আপনি এই দুটো option এর মধ্যে যে কোনো একটি বিকল্প বেছে নিতে পারেন। আপনি যদি OTP verification অপশনটি নির্বাচন করেন তাহলে আপনার রেজিস্টার মোবাইলে ব্যাঙ্কের তরফ থেকে একটি OTP আসবে।

এখানে আপনাকে OTP টি যথাস্থানে বসাতে হবে। আর তা নইলে Internet Banking এর Profile Pasword টি বসালেই হবে। এই সমস্ত পক্রিয়া গুলো পুরো করলেই আপনার অনলাইন ডেবিট কার্ড আবেদন প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ হয়ে যাবে।

এর পর ১০ থেকে ১৫ দিন পর আপনার register address এ আপনার ডেবিট কার্ডটি ভায়া পোস্ট পৌঁছে যাবে। তবে একটা কথা মনে রাখবেন SBI Bank তার গ্রাহকদের Debit Card দেওয়ার জন্যে ৩৫০/- টাকা charge করে।

ডেবিট কার্ড খোলার জন্যে কি কি ডকুমেন্ট লাগবে

আপনাকে ডেবিট কার্ড খোলার জন্যে যে সমস্ত কাগজপত্র গুলো ডেবিট কার্ডের আবেদনপত্রের সঙ্গে জমা করতে হবে-

নিজের পরিচয় পত্র স্থায়ী বাসিন্দা প্রমানপত্র
পাসপোর্ট টেলিফোন বিল
PAN Cardইলেকট্রিক বিল
রেশন কার্ড আধার কার্ড
আধার কার্ড রেশন কার্ড
ভোটার কার্ড ঘর ভাড়া নিয়ে থাকলে Rent Agreement paper
ড্রাইভিং লাইসেন্স  
ডেবিট কার্ড কি, ডেবিট কার্ড খোলার নিয়ম, ডেবিট কার্ড ব্যবহারের নিয়ম

Offline Debit Card খোলার নিয়ম

আপনি যদি offline Debit Card apply করতে চান তাহলে সবার প্রথমে আপনাকে আপনার ব্যাংকে যেতে হবে। সেখানে গিয়ে আপনাকে একটি offline debit card আবেদন করার ফর্ম নিতে হবে।

তারপর আপনাকে ঐ ফর্মটিতে প্রয়োজনীয় তথ্য গুলো সঠিকভাবে পূরণ করে নেওয়ার পর আপনাকে ফর্মটির সঙ্গে আধার কার্ড, প্যান কার্ড এর জেরক্স কপি সহ আবেদন পত্রটি ব্যাংকে জমা দিতে হবে।

ডেবিট কার্ড আবেদন করার ফর্মটি জমা করার পর ১৫ থেকে ২০ দিনের মধ্যে আপনার রেজিস্টার ঠিকানায় পোস্ট অফিসের মাধ্যমে ডেবিট কার্ডটি ডেলিভারি হয়ে যাবে।

ডেবিট কার্ডটি হাতে পাওয়ার পর আপনাকে ডেবিট কার্ডটি pin code genrate করে active করে নিতে হবে। pin code genrete করার পুরো process user manual guide book টিতে বর্ণনা করা থাকে।

Debit Card ব্যবহার করার উপকার গুলো কি কি

চলুন তাহলে আমরা এবার Debit Card ব্যবহার করার লাভ গুলো নিয়ে কথা বলা যাক-

আজকাল সরাসরি টাকা পয়সার সবথেকে বড় convenient হল ডেবিট কার্ড। ডেবিট কার্ড এমন একটি জিনিস যেটা খুব সহজে ব্যবহার করা যায় এবং আপনি আপনার money bag, প্যান্টের পকেট ইত্যাদির মধ্যে পুরে সেটাকে নিয়ে ঘুরে বেড়াতে পারেন।

তুলনামূলকভাবে দেখতে গেলে cheque book এর তুলনায় ডেবিট কার্ড ব্যবহার করাও খুব সহজ এবং নিরাপদ, তাই আপনি যেখানে খুশি ডেবিট কার্ড বহন করে নিয়ে যেতে পারেন।

ডেবিট কার্ডের ব্যবহার সরাসরি ATM থেকে টাকা তোলার কাজে এবং তার সাথে merchent transaction এর জন্যে point of sale (Pos) terminals এর জন্যে ব্যবহৃত হয়।

একটি ডেবিট কার্ড instant transfer of funds এবং receipts of service কে ensure করে। এছাড়াও ব্যাংকের তরফ থেকে ডেবিট কার্ডের উপর গ্রাহককে কেনাকাটার উপর বিভিন্ন ধরণের bank offer, exciting features,

bonus point, cash back offers, free insurance coverage এবং নানান ধরণের redeeming options আপনার কেনাকাটার অভিজ্ঞতাকে আরো বেশি মজাদার করে তোলে।

এছাড়া ডেবিট কার্ড আমাদের অপ্রয়োজনীয় বাজে খরচের অভ্যাস বদলাতে সাহায্য করে। কেননা ব্যাঙ্ক থেকে ডেবিট কার্ড দিয়ে খরচ করার একটি account limits fix করা থাকে। তাই আপনি চাইলেও আপনার ডেবিট কার্ড দিয়ে যতখুশি কেনাকাটা করতে পারবেননা।

ডেবিট কার্ডের সমস্ত লেনদেন পক্রিয়ার হিসাব রক্ষনাবেক্ষন হয় (transactions record) যা আমাদের budgeting এবং money mangement করতে আমাদের সাহায্য করে।

ডেবিট কার্ড কিভাবে কাজ করে
ডেবিট কার্ড কিভাবে কাজ করে ,ডেবিট কার্ড কি ,ডেবিট কর্ড কি,ডেবিট কার্ড কি

ডেবিট কার্ড আমাদের account এর লেনদেনকে সুরক্ষিত করে। তাই নিজেদের সুরক্ষার খাতিরে fraud এবং theft থেকে বাঁচার জন্যে ডেবিট কার্ডের পিন কোড, সিসিবি কোড কোন ব্যাঙ্ক কর্মচারী অথবা কোনো ফোন ব্যাংকারের কাছে শেয়ার করবেন না।

ডেবিট কার্ডের প্রতিটি কেনাকাটার পরে ব্যাংকের তরফ থেকে sms alearts এর মাধ্যমে গ্রাহককে ব্যাঙ্ক তার account এর লেনদেনের হিসাব এবং ব্যাংকে অবস্থিত শেষ রাশির হিসাব শেয়ার করে থাকে।

ডেবিট কার্ড ব্যবহারের নিয়ম

আপনারা যারা ডেবিট কার্ড কি? ব্যাপারটা জানেন, আশাকরি তিনারা ডেবিট কার্ড ব্যবহারের নিয়ম গুলোও জানেন। কিন্ত যারা ডেবিট কার্ড কি এবং ডেবিট কার্ড ব্যবহারের নিয়ম মানে কিভাবে ডেবিট কার্ড ব্যবহার করতে হয় জানেন না।

এখন আমরা সেই সমস্ত ভাইবোনদের জন্যে ডেবিট কার্ড ব্যবহারের নিয়ম গুলো নিয়ে আলোচনা করব, যে নিয়ম গুলো প্রতিটি ডেবিট কার্ড ধারকের জন্যে জানাটা অত্যন্ত জরুরী।

০১. ডেবিট কার্ড হল গ্রাহকদের সুবিদার্থে ব্যাংক প্ৰদত্ত বিশেষ ধরণের টাকা তোলা,অনলাইন ও অফলাইন কেনাকাটা করার ইলেকট্রো ম্যাগনেটিক প্লাস্টিক কার্ড।

০২. ডেবিট কার্ডের অপর নাম হল Atm Card, তাই Atm Card দিয়ে টাকা তোলার জন্যে আপনাকে Atm machine এ যেতে হবে। Atm Card দিয়ে যেকোনো ব্যাংকের Atm machine থেকে রাতদিন ০৭ দিন ২৪ ঘন্টা টাকা তোলা যায়।

০৩. তবে RBI এর Guideline অনুসারে Atm এর টাকা তোলার কিছু নিয়ম আছে। আপনি সর্বাপেক্ষা প্রতিমাসে সর্বাপেক্ষা চার বার টাকা তোলা যায়। চার বারের অধিক টাকা তোলা হলে আপনার bank আপনাকে fine করতে পারে।

০৪. কিছু কিছু ব্যাঙ্ক আছে যাদের ডেবিট কার্ড দিয়ে অন্য ব্যাংকের এটিএম মেশিনে টাকা তুললে fine charge করা হয়।

০৫. আপনার ডেবিট কার্ডের ১৬ সংখ্যার নম্বর, পিন নম্বর এবং তিন অঙ্কের সিসিভি কোড টি কখনো ব্যাঙ্ক কর্মচারী কিংবা অন্যকোনো ব্যক্তির সঙ্গে শেয়ার করবেন না।

০৬. কোনো কারণে আপনার ডেবিট কার্ডটি হারিয়ে গেলে সবার আগে আপনার ব্যাংকের কাস্টমার কেয়ারের টোল ফ্রী নম্বরে ফোন করে Atm Card টি ব্লক করা উচিত।

০৭. প্রত্যেক ডেবিট কার্ডের একটি নির্দিষ্ট করে Expairy Date থাকে, তাই আপনার ডেবিট কার্ডটি Expair হওয়ার আগে আপনাকে নতুন ডেবিট কার্ডের জন্যে আবেদন করা উচিত।

০৮. ডেবিট কার্ড দিয়ে টাকা তোলার সময় কোনো কারণে এটিএম মেশিনে ভুল অঙ্কের টাকা অথবা কম টাকা বেড়িয়ে এলে অবশ্যই এটিএম মেশিন থেকে প্রাপ্ত রিসিপটি সঙ্গে করে ব্যাঙ্ক ম্যানেজার কিংবা কাস্টমার কেয়ারে অভিযোগ জানান।

০৯. ডেবিট কার্ড দিয়ে অনলাইন কেনাকাটা এবং বিভিন্ন ধরণের বিল পেমেন্ট করলে rewards point পাওয়া যায়। সেই rewards point consiume করে Cash back, Mobile recharge ইত্যাদি করা যায়।

১০. ডেবিট কার্ড দিয়ে আপনি সরাসরি এটিএম মেশিন থেকে এক ব্যাঙ্ক একাউন্ট থেকে অন্য ব্যাঙ্ক একাউন্টে টাকা ট্রান্সফার করতে পারেন।

পরিশিষ্ট

আমরা এতক্ষন আমাদের আর্টিকেলটিতে ডেবিট কার্ড কি, ডেবিট কার্ড খোলার নিয়ম, ডেবিট কার্ড ব্যবহার করার নিয়ম, ডেবিট কার্ড কত প্রকারের হয়, ডেবিট কার্ড কিভাবে কাজ করে ইত্যাদি বিষয় গুলো আলোচনা করে দেখলাম।

আশাকরি আমাদের ডেবিট কার্ড কি আর্টিকেলের মধ্যে দিয়ে আপনাদের মনের মধ্যে থাকা ডেবিট কার্ড সম্বন্ধিত বিষয় গুলো নিয়ে মোটামোটি একটি স্বচ্ছ ধারণা দিতে পেরেছি।

তবুও ডেবিট কার্ড কি ? ডেবিট কার্ড নিয়ে আরো কোনো ধরণের প্রশ্ন আপনাদের মনে থেকে থাকে তাহলে অবশ্যই আমাদের কমেন্ট করে জানান। আমরা যত দ্রুত সম্ভব আপনার প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করব। ধন্যবাদ।

5/5 - (1 vote)

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here