পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কৃষক বন্ধু প্রকল্প আবেদন ২০২১


প্রধানমন্ত্রী কিষান সম্মান নিধি যোজনা প্রকল্পের মত,পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কৃষক বন্ধু প্রকল্প হল হল রাজ্য সরকার দ্বারা রাজ্যের কৃষকদের

বীমার মাধ্যমে লাইফ সাপোর্ট দেওয়ার সাথে সাথে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র আর্থিক সাহায্যের মাধ্যমে কৃষককে আত্মনির্ভর কৃষিকার্যে উৎসাহিত করা।

পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কৃষক বন্ধু প্রকল্পের মাধ্যমে একজন কি ধরণের সুযোগ সুবিধা পাবেন,পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কৃষক বন্ধু প্রকল্প ফরম pdf ডাউনলোড করে

কৃষক বন্ধু প্রকল্প ফরম ফিলাপ কিভাবে করবেন,কৃষক বন্ধু প্রকল্প চেক করার নিয়ম,কৃষক বন্ধু নামের লিস্ট 2021 নাম আছে কিনা কিভাবে দেখবেন সমস্ত কিছু জানব আমরা নিচের আলোচনায়।

আরো পড়ুন : স্বাস্থ্য বীমা কাকে বলে ? একটি ভালো কোম্পানির স্বাস্থ্য বীমার মধ্যে কি কি সুবিধা থাকা দরকার।

পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কৃষক বন্ধু প্রকল্প কি


২০১৮ সালে মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কৃষক বন্ধু প্রকল্পটির (Krishak Bondhu) সূচনা করেন। তিনি প্রকল্পটি শুরু করে বলেন

আমাদের রাজ্যের কৃষকদের রবি শস্য ও খারিফ শস্যের মধ্যে যেকোনো একটি শস্য চাষের জন্য সরকার কৃষকদের আর্থিক সহায়তা স্বরূপ দুই ধাপে

প্রতি একর জমির জন্য বার্ষিক ৫০০০ টাকা করে আর্থিকভাবে সাহায্য করবে এবং কৃষক বন্ধু প্রকল্পের আওতায় ১৮-৬০ বছর বয়সী কৃষকদের অপঘাতে মৃত্যুতে,

মৃত কৃষকদের মাথা পিছু বীমা হিসাবে ২০০০০০ (দুই লক্ষ) টাকার আর্থিক অনুদান দেওয়া হবে। ২০২১ সালে মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মূল বাজেট থেকে আলাদা করে

৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করে কৃষক বন্ধু প্রকল্পের অতিরিক্ত অনুদান ১০০০ টাকা বাড়ানোর কথা ঘোষণা করেন। তাই এখন থেকে কৃষক বন্ধু প্রকল্পে রাজ্য সরকারের তরফ থেকে ৬০০০ টাকা অনুদান পাওয়া যাবে।

সব মিলিয়ে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কৃষক বন্ধু প্রকল্পের আওতায় উপকৃত হবে রাজ্যের ৭৫ লক্ষ কৃষক। বিশেষজ্ঞদের ধারণা সরকারের দেওয়া কৃষক বন্ধু প্রকল্পের আর্থিক সাহায্যের ফলে

ক্ষুদ্র ও মাঝারি কৃষকদের শস্য রোপনের জন্য অযথা ঋণ নেওয়ার প্রয়োজন হবেনা। কৃষকরা সরকারি সাহায্যে তাদের চাষ জমিতে ফসল ফলিয়ে স্বনির্ভর হবে এবং যার ফলে কমবে কৃষকদের আত্মহত্যার হার।

আরো পড়ুন : স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্প পশ্চিমবঙ্গ সরকারের নিশুল্ক স্বাস্থ্য বীমা। 

কৃষক বন্ধু প্রকল্প ফরম pdf ডাউনলোড কিভাবে করবেন


কৃষক বন্ধু প্রকল্প ফরম আপনি আপনার নিকটস্থ বিডিও অফিসে কিংবা ভূমি কৃষক উন্নয়ন আধিকারিকের অফিস (ADO Office) থেকে পেয়ে যাবেন।

পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কৃষক বন্ধু প্রকল্প
পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কৃষক বন্ধু প্রকল্প

কিন্তু আপনারা যদি চান তাহলে আমাদের ওয়েবসাইটে দেওয়া লিঙ্কে ক্লিক করে খুব সহজেই কৃষক বন্ধু প্রকল্প ফরম pdf ডাউনলোড করে নিতে পারেন।

কৃষক বন্ধু প্রকল্প ফরম pdf ডাউনলোড করার জন্য এখানে ক্লিক করুন Krishak Bondhu Prakalpa form Download.

আরো পড়ুন : অনলাইন কিষান সম্মান নিধি যোজনা প্রকল্প আবেদন করার নিয়ম। 

কৃষক বন্ধু প্রকল্প ফরম ফিলাপ করার জন্য কি ডকুমেন্ট লাগবে


কৃষক বন্ধু প্রকল্প ফরম ফিলাপ করার জন্য,কৃষক বন্ধু ফরমের সাথে  আবেদনকারীর যে সমস্ত ডকুমেন্ট (কাগজ) গুলো জমা করতে হবে-

০১. আবেদনকারীর ভোটার কার্ডের জেরক্স (জেরক্সের উপর নিজের সই/ টিপ সই করে জমা দেবেন)

০২. আবেদনকারী কৃষকের জমির সাম্প্রতিক পরচার জেরক্স (জেরক্সের উপর নিজের সই/ টিপ সই করে জমা দেবেন)

০৩. আবেদনকারী কৃষকের নিজের নামের ব্যাঙ্ক একাউন্টের ছবি বসানো প্রথম পাতার জেরক্স (যেখানে ব্যাঙ্ক একাউন্ট নং,আই.এফ.এস.সি. কোড এবং ঠিকানা লেখা আছে সেই পাতার জেরক্স কপির উপর সই /টিপ সই করে জমা দেবেন)

০৪. কিষান ক্রেডিট কার্ড থাকলে (কিষান ক্রেডিট কার্ডের পাস বুকের প্রথম পাতার জেরক্স কপির উপর নিজের সই/ টিপ সই করে জমা দেবেন )

আরো পড়ুন : প্রধানমন্ত্রী আয়ুষ্মান ভারত স্বাস্থ্য বীমা প্রকল্প। 

কৃষক বন্ধু প্রকল্প ফরম ফিলাপ কিভাবে করবেন


কৃষক বন্ধু প্রকল্প ফরম ফিলাপ করার জন্য প্রথমে আপনাকে কৃষক বন্ধু প্রকল্পের ফরম বিডিও অফিস থেকে কিংবা আমাদের ওয়েবসাইটের

ওপরে দেওয়া Krishak Bondhu Prakalpa form Download.লিঙ্কে ক্লিক করে কৃষক বন্ধু প্রকল্প ফরম ডাউনলোড করে প্রিন্ট করে নিন।

কিন্তু একটা জিনিস মাথায় রাখবেন অনলাইনে ডাউনলোড করা ফর্ম দুয়ারে সরকারে গ্রহণ করা হবেনা। আপনারা একই ধরণের কৃষক বন্ধু প্রকল্প ফর্ম দুয়ারে সরকারে বিনা পয়সায় পেয়ে যাবেন।

আপনাদিকে ঐ ফর্ম আমরা যেভাবে বর্ণনা করছি সেই একই রকম ভাবে দুয়ারে সরকার থেকে ফর্ম নিয়ে ফিলাপ করে জমা দিতে হবে।

এবারে ধাপে ধাপে খুব সহজ ভাবে আপনাদের কৃষক বন্ধু প্রকল্প ফরম ফিলাপ করার পুরো নিয়ম বোঝানো হবে আপনারা একটু মনোযোগ দিয়ে ব্যাপারটা বোঝার চেষ্টা করবেন।

প্রথম ধাপ :- কৃষক বন্ধু প্রকল্পের ০১ নং কলমে কৃষকের নাম (বাংলায়) অথাৎ যিনি কৃষক বন্ধু প্রকল্পের জন্য আবেদন করছেন তার নাম বাংলায় পরিষ্কার ভাবে লিখুন।

নাম লেখার সময় খেয়াল রাখবেন আপনার ভোটার কার্ড,জমির পরচা এবং ব্যাঙ্কের পাসবুকে একই নাম থাকতে হবে।

পরচা এবং অন্য সাপোর্টিং ডকুমেন্টে একই নাম না থাকলে কিংবা নামে ভুল থাকলে আপনার আবেদন পত্র বাতিল হয়ে যেতে পারে।

দ্বিতীয় ধাপ :- ০২ নং কলমে আবেদনকারীর পিতার নাম /স্বামীর নাম লিখতে হবে। এখানে যদি কোনো বিবাহিত/বিধবা মহিলা কৃষক বন্ধু প্রকল্পের জন্য

আবেদন করেন তাহলে তিনি তার স্বামীর নাম লিখবেন। নচেৎ নিয়ম অনুযায়ী পুরুষ আবেদনকারীকে তার নিজের বাবার নাম অথাৎ পিতার নাম লিখতে হবে।

তৃতীয় ধাপ :- ০৩ নং কলমে আবেদনকারীর জন্ম তারিখ লিখতে হবে। যেমন- ১১/০৬/১৯৯১, এখানে প্রথমে- দিন/মাস/সাল যেভাবে লেখা হয়েছে সেইভাবে আপনারাও লিখবেন।

চতুর্থ ধাপ :- ০৪ নং কলমে আবেদনকারীর লিঙ্গ (Gender) লিখতে হবে। এখানে আবদেনকারী যদি পুরুষ মানুষ হয়ে তাহলে পুরুষ লেখার আগের “বক্সে” টিক চিহ্ন দিন। 

আর আবেদনকারী যদি কোনো মহিলা অথবা ট্রান্সজেন্ডার (হিজড়া হয়ে থাকেন ) তাহলে তারা তাদের লিঙ্গ অনুযায়ী আগের বাক্সে টিক চিহ্ন দেবেন।

পঞ্চম ধাপ :- ০৫ নং কলমে কৃষকের ধরণ লিখতে হবে। অথাৎ আপনি যে ধরণের কৃষক,সেই অনুযায়ী আগের “বক্সে” টিক চিহ্ন দিতে হবে। যেমন – আপনি যদি নিজে কৃষক হন

এবং আপনার নামে জমির পরচা থাকে তাহলে আপনি মালিক লেখার আগের “বক্সে” টিক চিহ্ন বসান। আর যদি ভাগচাষী হন তাহলে নথিভুক্ত ভাগচাষীর আগের বাক্সে টিক চিহ্ন বসান।

ষষ্ঠ ধাপ :- ০৬ নং কলমে মোবাইল নম্বর লিখতে হবে,মোবাইল নম্বর সঠিক ভাবে ফিলাপ করবেন। যেমন- ৯৪৩/৪৩০/১৬৭৮

সপ্তম ধাপ :- ০৭ নং কলমে কেসিসি (কিষান ক্রেডিট কার্ড) আছে কিনা লিখতে হবে। যদি আপনারা কিষান ক্রেডিট কার্ড থাকে তাহলে আপনি হ্যাঁ” লেখার আগের “বক্সে” টিক চিহ্ন দিয়ে 

পাশের কলমে কিষান ক্রেডিট কার্ডের একাউন্ট নং দিন। যদি আপনার কিষান ক্রেডিট কার্ড না থাকে তাহলে “না”লেখার আগের “বক্সে টিক চিহ্ন বসান

অষ্টম ধাপ :- ০৮ নং কলমে কৃষিজমির তথ্য ফিলাপ করতে হবে। আসুন ব্যাপারটা সম্পর্কে একটু স্পষ্ট ধারণা নেওয়া যাক। 

সবার প্রথমে বাম দিকে ক্রমিক নং এর বাক্সে ০১ থেকে শুরু করে ০২,০৩,যেমন আপনার জমির পরিমান বা জমির যখানা পরচা আছে তার উপর ভিত্তি করে ক্রমিক নং বসান।

তারপর আপনার ব্লকের নামের “বক্সের” জায়গায় ব্লকের নাম লিখুন। তারপর পরচা অনুযায়ী জে এল নং এবং খতিয়ান নং এর “বক্সে” জে এল নং এবং খতিয়ান নং বসান। 

বিঃ দ্রঃ- শুধুমাত্র ভাগচাষী অথাৎ যাদের নিজস্ব চাষজমি নেয় পরের জমিতে চাষ করেন কিংবা যাদের সরকারি পাট্টার জমি আছে সেই সমস্ত কৃষকদের প্লট নং এর বাক্সে জমির দাগ নং (প্লট নম্বর লিখতে হবে)

চাষযোগ্য জমির পরিমানেরবক্সে” আপনার জমির পরিমান উল্লেখ করুন (যেমন- আপনার যদি ০২ একর জমি থাকে তাহলে লিখুন ০২ একর)

এই কলমের লাস্ট বক্সে মোট চাষযোগ্য জমির পরিমান এর কলমে,আপনার ক্রমিক নং অনুযায়ী টোটাল পরচা অনুযায়ী জমির পরিমান লিখুন।

(যেমন- আপনার ক্রমিক নং ০১ এ জমির পরিমান ০২ একর থাকে এবং ০২ নং ক্রমিক নং ০৩ একর থাকে তাহলে টোটাল করে মোট চাষযোগ্য জমির পরিমান ০৫ একর লিখুন)

নবম ধাপ :- ০৯ নং কলমে ব্যাঙ্কের তথ্য যথাযথ ভাবে দিতে হবে নইলে আপনার আবেদন স্বীকার্য্য হলেও টাকা কিন্তু আপনার ব্যাঙ্ক একাউন্টে ঢুকবেনা তাই সঠিক ভাবে নির্ভুল তথ্য দেবেন।

ব্যাঙ্কের একাউন্ট নম্বর…….লিখুন,তারপর IFS Code…..লিখতে হবে। যেমন- SBIN/000/12633 তারপর আপনার ব্যাঙ্কের নাম ……লিখতে হবে।

ব্রাঞ্চের নাম…..লিখতে হবে,যেমন -SBI BRANCH SOHORA (CHATRA),এরপর আপনার ব্যাঙ্কের খাতার একাউন্টের ধরণ…. হিসাবে সেভিং লেখা আছে তার আগের “বক্সে” টিক চিহ্ন বসান।

যেমন- আপনার যদি SBI এর ব্যাঙ্ক খাতা থাকে তাহলে SBI ইংরেজিতে লিখুন। (মনে রাখবেন ব্যাঙ্কের যাবতীয় তথ্য ইংরেজিতে নির্ভুল ভাবে লিখতে হবে।)

দশম ধাপ:- এবারে বাম দিকে তারিখ…. এর জায়গায় আবেদনের তারিখ লিখুন তারপর নিচের দিকে ডানদিকে আবেদনকারীর স্বাক্ষর/ টিপ সই দিতে হবে। (মনে রাখবেন আপনি যদি টিপ সই দেন

তাহলে টিপ সই কথাটি লেখার আবেদনকারীর পুরো নাম লেখার পর নিচে টিপ সই দেবেন। যেমন-কথায় লিখবেন,…টিপ সই

(লেখার নিচে টিপ সই যিনি দেবেন তার পুরো নাম লিখবেন)…করিম শেখ…তারপর বাম হাতের বুড়ো আঙুল নীল কালিতে ডুবিয়ে টিপ দিতে হবে)

আপনার কৃষক বন্ধু প্রকল্পের ফরম ফিলাপ সম্পূর্ণ হয়ে গেল। এরপরের অংশটুকু হল অফিসের ব্যবহারের জন্যে,এখানে আপনার কোনো কিছু লেখার দরকার নেই।

এরপরের অংশটুকু হল প্রাপ্তি স্বীকার করার কলম। আপনি যখন কৃষক বন্ধু প্রকল্প ফরমটি জমা করবেন তখন সরকারি অফিস থেকে এই কলমটি পূরণ করে

আবেদন পত্রের ক্রমিক নং এবং সরকারি অফিসার যিনি আপনার আবেদনপত্র জমা নিচ্ছেন তার সিল মোহর লাগিয়ে বাকি অংশ টুকু আপনাকে ফেরৎ দেবে।

আপনাকে প্রাপ্তি স্বীকার হিসাবে আবেদনপত্রের অবশিষ্ট্যাংশটুকু দেওয়া হল এর মানেই এই নয় যে আপনার আবেদন স্বীকার্য্য হল।

এখানে আপনার আবেদনপত্র জমা নেওয়া হল আপনার আবেদনপত্র খতিয়ে দেখার জন্য,এখন আপনি যদি উপযুক্ত কৃষক হন,আপনার আবেদনপত্রের সাথে যাবতীয় তথ্য যদি সঠিক ও নির্ভুল হয়

তাহলে আপনি কৃষক বন্ধু প্রকল্প পাওয়ার জন্য যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন এবং আপনাকে সরকারের তরফ থেকে কৃষক বন্ধু প্রকল্পের যাবতীয় সুবিধা দেওয়া হবে।

আরো পড়ুন : লক্ষীর ভান্ডার প্রকল্প কি ? লক্ষীর ভান্ডার প্রকল্প আবেদন করার নিয়ম। 

কৃষক বন্ধু প্রকল্পের আবেদনপত্র পূরণের জন্য কিছু বিশেষ নির্দেশাবলী 

  • বাংলা নামের বানান জমির পরচা তে যে বানান দেওয়া আছে সেই বানান অনুযায়ী নাম লিখতে হবে।
  • মোবাইলে সরকারি sms ও অন্যান্য তথ্য পাওয়ার জন্য নিজস্ব সক্রিয়/ চালু মোবাইল নম্বর দিন।
  • পরচা অনুযায়ী জমির তথ্য সঠিক ভাবে পূরণ করুন।

নোট :- কৃষক বন্ধু প্রকল্পের আবেদন পত্র সঠিক ভাবে পূরণ করা হয়ে গেলে আপনি আপনার এলাকায় যেখানে কৃষক বন্ধু প্রকল্পের ফরম জমা নেওয়া হচ্ছে

(যেমন- পঞ্চায়েত,বিডিও অফিস,ব্লক স্তরের ভূমি সংস্কারক অধিকারীরকের কার্যালয় (ADO Office গিয়ে জমা করুন)

আরো পড়ুন : ভারত সরকারের নতুন শিক্ষা নীতিতে কি কি পরিবর্তন আসতে চলেছে। 

কৃষক বন্ধু প্রকল্পে নামের লিস্ট চেক করার নিয়ম ২০২১


আপনারা যারা পশ্চিমবঙ্গ সরকারের দুয়ারে সরকার কর্মসূচিতে,কিংবা পরে কৃষক বন্ধু প্রকল্পের ফরম জমা করেছিলেন তাদের অনেকেই কিন্ত কৃষক বন্ধু প্রকল্পের প্রথম ধাপের টাকা পেয়ে গেছেন।

কিন্তু যে সমস্ত কৃষক বন্ধুরা এখনো হয়তো টাকা পাননি এবং কৃষক বন্ধু প্রকল্পের লিস্ট ২০২১ এ নিজেদের নাম আছে কিনা চেক করতে চান তারা খুব সহজেই নিজেদের নামের স্ট্যাটাস অনলাইন চেক করতে পারেন।



কৃষক বন্ধু প্রকল্পে নিজের নামের স্ট্যাটাস চেক করার জন্য প্রথমেই আপনাকে https://krishakbandhu.net লিংকটিতে ক্লিক করতে হবে।

পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কৃষক বন্ধু
পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কৃষক বন্ধু

এরপর পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কৃষক বন্ধু প্রকল্প অফিসিয়াল ওয়েবসাইটটির উইন্ডো খুলে যাবে। সেখানে নিচে বামদিকে ০২ নং বাক্সে নথিভুক্ত কৃষকের তথ্য লেখা একটি “বক্স” দেখতে পাবেন ঐ বক্সে গিয়ে ক্লিক করুন।

এবারে আরো একবার নতুন একটি উইন্ডো আপনার সামনে খুলে আসবে সেখানে আপনার ভোটার কার্ড নম্বর চাওয়া হবে। আপনি সেখানে আপনার ভোটার নম্বর দিয়ে Search করুন।

পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কৃষক বন্ধু
পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কৃষক বন্ধু

এবারে আবার একটি নতুন উইন্ডো খুলে আসবে সেখানে আপনি আপনার কৃষক বন্ধু প্রকল্পের আবেদনপত্রের স্ট্যাটাস দেখতে পাবেন।

আরো পড়ুন : কেমন হতে চলেছে ভারতের নতুন সংসদ ভবন। 

কৃষক বন্ধু ডেথ বেনিফিট ফর্ম (Krishak Bandhu death Benefit Form)


পশ্চিমবঙ্গ সরকার কৃষক বন্ধু প্রকল্পের সাথে কৃষকদের অতিরিক্ত ০২ লক্ষ টাকার কৃষক বন্ধু ডেথ বেনিফিট দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন।

পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কৃষক বন্ধু প্রকল্প
পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কৃষক বন্ধু

কৃষক বন্ধু প্রকল্পের সুবিধা ভোগী কৃষকদের রাজ্য সরকারের তরফ থেকে কৃষকের আকস্মিক মৃত্যুতে কৃষকের পরিবারকে এককালীন ০২ লক্ষ টাকার সহযোগ রাশি দেওয়া হবে।

তাই আপনাদের মধ্যে কৃষক বন্ধু প্রকল্পের সুবিধা পাওয়া কোনো কৃষকের আকস্মিক মৃত্যু হয়ে থাকে, তাহলে অতি সত্বর আপনার এলাকার পঞ্চায়েত অফিসে গিয়ে যোগাযোগ করুন।

পঞ্চায়েত থেকে আকস্মিক মৃত্যুর প্রমান পত্র (Death Certificate) সহ কৃষক বন্ধু ডেথ বেনিফিট পাওয়ার জন্য কৃষক বন্ধু ডেথ বেনিফিট ফর্ম ফিলাপ করে আপনার বিডিও অফিসে গিয়ে জমা করুন।

কৃষক বন্ধু ডেথ বেনিফিট ফরম ডাউনলোড করার জন্য এখানে ক্লিক করুন⇒ Krishak Bandhu death Benefit Form

পরিশিষ্ট


এই আর্টিকেলে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কৃষক বন্ধু প্রকল্প কি ? কৃষক বন্ধু প্রকল্প ফরম ফিলাপ করার যাবতীয় নিয়ম আপনাদের সামনে পুঙ্খানুপুঙ্খ ভাবে তুলে ধরা হল।

আপনারা যারা কৃষক বন্ধু প্রকল্পের জন্য আবেদন করেছেন অথচ এখনো কোনো টাকা পাননি তাদের জন্য কৃষক বন্ধু প্রকল্প চেক করার নিয়ম এবং কৃষক বন্ধু নামের লিস্ট 2021 লিঙ্ক দেওয়া হল।

এরপরেও পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কৃষক বন্ধু প্রকল্প ঘিরে কোনো রকমের জিজ্ঞাসা থাকে তাহলে আমাদের কমেন্ট সেকশনে কমেন্ট করে অবশ্যই জানান।

FAQ


প্রশ্ন : কৃষক বন্ধু কবে চালু হয় ?

উঃ- ২০১৮ সালে মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কৃষক বন্ধু প্রকল্পটি চালু করেন।

প্রশ্ন : কৃষক বন্ধু প্রকল্পের টাকা কবে পাওয়া যাবে ?

উঃ- কৃষক বন্ধু প্রকল্পের টাকা দেওয়া শুরু হয়ে গেছে।

প্রশ্ন : কৃষক বন্ধু প্রকল্প বিস্তারিত তথ্য কোথায় পাওয়া যাবে ?

উঃ- কৃষক বন্ধু প্রকল্প বিস্তারিত তথ্য পাওয়ার জন্য আমাদের আর্টিকেলটি ভালোভাবে পড়ে দেখুন।

প্রশ্ন : কৃষক বন্ধু প্রকল্প pdf ফরম কোথা থেকে পাওয়া যাবে ?

উঃ- কৃষক বন্ধু প্রকল্প pdf ফরম ডাউনলোড করার লিঙ্ক উপরে দেওয়া হয়েছে আপনি চাইলে ডাউনলোড করে নিতে পারেন।

এই আর্টিকেল গুলোও পড়ে দেখুন :-